ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে ঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 18

মির্জাপুরে ঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে মা ও চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন; ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) এবং তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে রাজিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন বেড়াতে সিলেটে যান।

শুক্রবার সকালে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হন। পথে তার শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে মির্জাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে কনিকা মেয়েকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মা ও মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনে কী ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির মৃত্যুর কারণসহ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মির্জাপুরে ঘর থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বসতঘর থেকে মা ও চার বছরের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের ধুপুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন; ধুপুরিয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি রাজীব হোসেনের স্ত্রী কনিকা আক্তার (২২) এবং তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে রাজিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে রাজীব ও কনিকার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। বৃহস্পতিবার রাতে রাজীব হোসেন বেড়াতে সিলেটে যান।

শুক্রবার সকালে কনিকা মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হন। পথে তার শ্বশুর নাজিমউদ্দিন ও শাশুড়ি তাকে বাবার বাড়িতে যেতে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

বাড়িতে ফিরে কনিকা মেয়েকে নিয়ে একটি কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে শিশু রাজিয়ার চিৎকার শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে কনিকাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। একই ঘরের মেঝেতে শিশুটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানালে মির্জাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে কনিকা মেয়েকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে মা ও মেয়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার পেছনে কী ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির মৃত্যুর কারণসহ পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।