বিরোধীদলের উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল ও বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ১২:১১:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
- / 97
রাষ্ট্রীয় সফরে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে এসে চকরিয়ায় এক বিশাল সমাবেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বলেন যে বিরোধীদল দেশকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তারা চায় না দেশের ভালো হোক। এসময় তিনি আরো বলেন আমরা ট্যাক্স বাড়িয়েছি সিগারেট মদের ওপর যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বিরোদীদল তা মানে না। তার মানে তারা দেশে অশান্তি করতে চায়। দেশকে বিভ্রান্ত করতে চায়।
আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি দিনব্যাপী নানামুখী উন্নয়ন ও পরিবেশগত কর্মসূচির সূচনা করেন। এরই অংশ হিসেবে পাতলী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তিনি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অফিশিয়াল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারিত এই সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষা এবং তৃণমূল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে তাঁর সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাছুমঘাট সংরক্ষিত বনে চারা রোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ঐতিহাসিক মহাযজ্ঞের উদ্বোধন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় জলাশয় ও খাল খনন অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই পাতলী খাল পুনঃখনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা এবং নতুন মাতামুহুরী উপজেলার বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়াতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি তাঁর ভাষণে আশ্বস্ত করেন।
উন্নয়নমূলক কর্মসূচির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের বীর শহীদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাৎ করে গভীর সমবেদনা জানান।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকেলের রাজনৈতিক সমাবেশ শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী সমুদ্রসৈকত ও দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন। এরপর সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার পর আজ রাতেই তাঁর বিমানযোগে রাজধানী ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।






































