সম্পাদক পরিচয়ে বিউটি রানীকে সাইবার বুলিং করে হিরণ
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 114
শিক্ষিকা বিউটি রানীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তা ও সাইবার বুলিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত আসিফ ইকবাল হিরণ সম্পর্কে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাংবাদিকতার সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলেও তিনি নিজেকে একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট প্রকাশ করতেন।
জানা গেছে, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের বাসিন্দা আসিফ ইকবাল হিরণ ২০২৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কেয়ার ওয়ার্কার ভিসায় যুক্তরাজ্যে যান। দেশে সাংবাদিকতা করার কোনো তথ্য বা পেশাগত রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ নামে একটি ফেসবুক পেজে শিক্ষিকা বিউটি রানীর একটি ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ করেন। পেজটি ২০১৮ সালে চালু হলেও এর সম্পাদক হিসেবে হিরণ নিজেই পরিচয় দিয়ে থাকেন।
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে হিরণ নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ পেজ থেকে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলেন।
বিউটি রানীর অভিযোগ, তার অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল থেকে ভিডিওটি ডাউনলোড করে সেটিকে সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি তার সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হিরণ তাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিলেন। সেটি গ্রহণ না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ কাজ করেন। পরে ফোন করে ব্যক্তিগত বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে তাকে বিব্রত করার চেষ্টা করেন। ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হলেও তিনি তা মানেননি বলে দাবি করেন শিক্ষিকা।
অভিযোগ রয়েছে, ‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ পেজে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ভয়েসওভার ব্যবহার করে সংবাদরূপে প্রকাশ করা হয়। সেখানে ‘সচেতন মহল’ ও অভিভাবকদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা হলেও কারও বক্তব্য বা নির্ভরযোগ্য সূত্র উপস্থাপন করা হয়নি। একইভাবে আরেকটি পোস্টে একজনের স্বাভাবিকভাবে হাঁটার দৃশ্যকে ‘অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
তবে ফেঞ্চুগঞ্জের এক স্থানীয় সাংবাদিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাবি করেছেন, একটি স্থানীয় দৈনিকের এক প্রতিনিধির উৎসাহে হিরণ ভিডিওটি প্রচার করেছিলেন। তবে এ দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।






























