ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল, আটক ১

আব্দুল কাইয়ুম আরজু, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 20

কলাপাড়ায় এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল, আটক ১

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষর জাল করে মিউটেশন জালিয়াতির অভিযোগে কেএম প্রিন্স (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার ভূমি অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়। ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগের পর তাকে আটক করা হয়। প্রিন্স কলাপাড়া পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে ৫৬ নম্বর জেএল খাজুরা মৌজার সাতটি দলিলের মিউটেশন করার জন্য প্রিন্সের কাছে কাগজপত্র জমা দেন শাম্মী আক্তার। পরে প্রিন্স দুটি দলিলের মিউটেশন সম্পন্ন হওয়ার কাগজপত্র তার কাছে জমা দেন।

শাম্মী আক্তার কাগজপত্রের কিউআর কোড স্ক্যান করে জানতে পারেন, ওই দুটি মিউটেশন ভুয়া। এতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে রোববার দুপুরে শাম্মী আক্তার এসিল্যান্ডের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ প্রিন্সকে আটক করে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, জালিয়াতি চক্রের প্রতারণার কারণে কুয়াকাটা থেকে বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তার কার্যালয়ে এ ধরনের অন্তত ২৭টি জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়েছে। এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জালিয়াতি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪ ও ৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কলাপাড়ায় এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর জাল, আটক ১

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষর জাল করে মিউটেশন জালিয়াতির অভিযোগে কেএম প্রিন্স (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি দলিল লেখকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার ভূমি অফিস থেকে তাকে আটক করা হয়। ম্যাকটেন হোল্ডিং লিমিটেডের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাম্মী আক্তারের মৌখিক অভিযোগের পর তাকে আটক করা হয়। প্রিন্স কলাপাড়া পৌর শহরের এতিমখানা এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে ৫৬ নম্বর জেএল খাজুরা মৌজার সাতটি দলিলের মিউটেশন করার জন্য প্রিন্সের কাছে কাগজপত্র জমা দেন শাম্মী আক্তার। পরে প্রিন্স দুটি দলিলের মিউটেশন সম্পন্ন হওয়ার কাগজপত্র তার কাছে জমা দেন।

শাম্মী আক্তার কাগজপত্রের কিউআর কোড স্ক্যান করে জানতে পারেন, ওই দুটি মিউটেশন ভুয়া। এতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেকের স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে রোববার দুপুরে শাম্মী আক্তার এসিল্যান্ডের কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি জানান এবং থানায় মৌখিক অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ প্রিন্সকে আটক করে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, জালিয়াতি চক্রের প্রতারণার কারণে কুয়াকাটা থেকে বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তার কার্যালয়ে এ ধরনের অন্তত ২৭টি জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়েছে। এসব ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের জালিয়াতি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৪ ও ৫ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধ।