অক্টোবরের আগে নয় নবম পে-স্কেল
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
- / 102
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল শিগগির ঘোষণা হচ্ছে না। আইএমএফের সঙ্গে ঋণ কর্মসূচির চূড়ান্ত আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখতে যাচ্ছে সরকার। রাজস্ব ঘাটতির কারণে সংস্থাটি পে-স্কেল বাস্তবায়ন অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে অক্টোবরে ব্যাংককে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক বৈঠকের আগে নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা না করার সিদ্ধান্তে এগোচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের বিষয়টি অনেকটাই নির্ভর করছে আইএমএফের অবস্থানের ওপর।
রাজস্ব আদায়ে দুর্বলতা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সীমিত আর্থিক সক্ষমতার কারণে আইএমএফ নতুন পে-স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এ অবস্থায় সরকারও বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।
এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যয়, রাজস্ব পরিস্থিতি এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি পর্যালোচনা করেছেন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক জ্বালানির দাম, গ্যাস সরবরাহ এবং সরকারি ব্যয়ের চাপ বিবেচনায় রেখে প্রস্তাবটি আরও বিশদভাবে যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে সরকার পে-স্কেলের পরিকল্পনা থেকে সরে আসেনি। জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে একটি সংশোধিত প্রস্তাব ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আর্থিক চাপ কমাতে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন বা বিকল্প পদ্ধতিও বিবেচনায় রয়েছে। আইএমএফের সঙ্গে অক্টোবরে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোরও সুপারিশ করা হয়েছে। এসব বাস্তবায়নে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে বলে কমিশনের হিসাব।





























