ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 29

দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের তুলনায় কিছুটা স্থিতিশীল হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি সংসদে জানান, উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান কমে এলেও কিছু এলাকায় লোডশেডিং অব্যাহত থাকতে পারে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধির আলোচনায় দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখন বেশি স্বস্তিদায়ক। তার ভাষায়, সরকার ধারাবাহিকভাবে ঘাটতি কমিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি জানান, কারিগরি ত্রুটি এবং কয়লা সরবরাহে জটিলতার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় চাপ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে উৎপাদন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে, যেখানে চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি কমে এসেছে প্রায় ৩৩৯ মেগাওয়াটে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পরিস্থিতি উন্নতির পথে থাকলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তাই কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকতে পারে। তিনি আগের দিনের সংকটের প্রসঙ্গ টেনে উল্লেখ করেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারে লিকেজ এবং বৈরী আবহাওয়ায় কয়লা খালাসে বাধার কারণে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল।

এদিকে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে কয়েকটি জেলায় গ্রাহক বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে, যার মধ্যে একটি স্থানে বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। মন্ত্রী দেশবাসী ও সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকবে’

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আগের তুলনায় কিছুটা স্থিতিশীল হলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি সংসদে জানান, উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান কমে এলেও কিছু এলাকায় লোডশেডিং অব্যাহত থাকতে পারে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধির আলোচনায় দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, গত দুই দিনের তুলনায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এখন বেশি স্বস্তিদায়ক। তার ভাষায়, সরকার ধারাবাহিকভাবে ঘাটতি কমিয়ে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি জানান, কারিগরি ত্রুটি এবং কয়লা সরবরাহে জটিলতার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় চাপ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে উৎপাদন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটে, যেখানে চাহিদা ১৪ হাজার ৮৩৯ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি কমে এসেছে প্রায় ৩৩৯ মেগাওয়াটে।

মন্ত্রী আরও বলেন, পরিস্থিতি উন্নতির পথে থাকলেও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তাই কিছু এলাকায় লোডশেডিং থাকতে পারে। তিনি আগের দিনের সংকটের প্রসঙ্গ টেনে উল্লেখ করেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারে লিকেজ এবং বৈরী আবহাওয়ায় কয়লা খালাসে বাধার কারণে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যাহত হয়েছিল।

এদিকে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে কয়েকটি জেলায় গ্রাহক বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে, যার মধ্যে একটি স্থানে বিদ্যুৎ অফিসে ভাঙচুরের খবর পাওয়া যায়। মন্ত্রী দেশবাসী ও সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন।