ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে তিন ধাপে অর্থনীতি গড়তে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / 27

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠন—এই তিন ধাপে দেশের অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কাজ করছে সরকার।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) ১৮তম কার্যদিবসে বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সংসদ জনগণের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। অতীতের চেয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আলোচনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেট হবে বাস্তবসম্মত, স্বাভাবিক ও জনবান্ধব। এটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে। তিনি বলেন, ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে বাজারে মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সরকার সংকটকে অস্বীকারও করছে না, আবার সেটিকে অজুহাত হিসেবেও ব্যবহার করতে চায় না।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের নেওয়া বিপুল বিদেশি ঋণের বোঝা এখনো দেশের মানুষকে বহন করতে হচ্ছে। তবে জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা। বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা, নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে তিন ধাপে অর্থনীতি গড়তে চায় সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পুনরুদ্ধার, উত্তরণ ও পুনর্গঠন—এই তিন ধাপে দেশের অর্থনীতিকে নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে কাজ করছে সরকার।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) ১৮তম কার্যদিবসে বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও সংসদ জনগণের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশার সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। অতীতের চেয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি আলোচনা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেট হবে বাস্তবসম্মত, স্বাভাবিক ও জনবান্ধব। এটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি বয়ে আনবে। তিনি বলেন, ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহারের ফলে বাজারে মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকটের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সরকার সংকটকে অস্বীকারও করছে না, আবার সেটিকে অজুহাত হিসেবেও ব্যবহার করতে চায় না।

তারেক রহমান অভিযোগ করেন, বিগত সরকারের নেওয়া বিপুল বিদেশি ঋণের বোঝা এখনো দেশের মানুষকে বহন করতে হচ্ছে। তবে জনগণের সমর্থন নিয়েই সরকার দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা। বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা, নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।