ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 82

মমতা বন্দোপাধ্যায়

বিজেপির আগ্রাসন মোকাবিলায় বাম, অতিবামসহ সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার (৯ মে) শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনে তিনি ‘দেশ বাঁচাও গণতান্ত্রিক মঞ্চ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। তৃণমূলনেত্রী অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসের পরিবেশ চলছে এবং তৃণমূল কর্মীদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার করা হচ্ছে।

কালীঘাটে নিজের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার ডাক দেন। তিনি বলেন, “চার দিকে সন্ত্রাসের বজ্রাঘাত চলছে। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠন, এনজিও-কে বলব জোট বাঁধুন”। এমনকি যারা তার ঘোর বিরোধী, সেই বাম ও অতিবাম দলগুলোকেও তৃণমূলের পাশে দাঁড়ানোর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে তৃণমূলের প্রধান শত্রু হলো বিজেপি।

তৃণমূলনেত্রী অভিযোগ করেছেন যে, রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুষ্ঠানেও প্রশাসন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। প্যান্ডেল কিংবা মাইক বক্সের জন্য কোনো ডেকরেটর যাতে সাহায্য না করে, সে জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও হামলা এবং শিশুদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মমতা বলেন, নির্বাচনের ফলের পর থেকে পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে এবং তৃণমূল কর্মীদের ওপর লাগামহীন সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।

২০১১ সালের পালাবদলের সময়ের উদাহরণ টেনে মমতা বলেন যে, তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে তার নিজের সমস্ত নিরাপত্তা, এমনকি ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সাহায্যের জন্য তৃণমূল একটি বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আইনি দিকগুলো দেখাশোনা করবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে বলা যায়, বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার এই ডাক পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

বিজেপির আগ্রাসন মোকাবিলায় বাম, অতিবামসহ সকল রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার (৯ মে) শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের দিনে তিনি ‘দেশ বাঁচাও গণতান্ত্রিক মঞ্চ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। তৃণমূলনেত্রী অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমানে রাজ্যে সন্ত্রাসের পরিবেশ চলছে এবং তৃণমূল কর্মীদের ওপর অবর্ণনীয় অত্যাচার করা হচ্ছে।

কালীঘাটে নিজের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার ডাক দেন। তিনি বলেন, “চার দিকে সন্ত্রাসের বজ্রাঘাত চলছে। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠন, এনজিও-কে বলব জোট বাঁধুন”। এমনকি যারা তার ঘোর বিরোধী, সেই বাম ও অতিবাম দলগুলোকেও তৃণমূলের পাশে দাঁড়ানোর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, রাজনৈতিকভাবে বর্তমানে তৃণমূলের প্রধান শত্রু হলো বিজেপি।

তৃণমূলনেত্রী অভিযোগ করেছেন যে, রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুষ্ঠানেও প্রশাসন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। প্যান্ডেল কিংবা মাইক বক্সের জন্য কোনো ডেকরেটর যাতে সাহায্য না করে, সে জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও হামলা এবং শিশুদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মমতা বলেন, নির্বাচনের ফলের পর থেকে পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে রয়েছে এবং তৃণমূল কর্মীদের ওপর লাগামহীন সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে।

২০১১ সালের পালাবদলের সময়ের উদাহরণ টেনে মমতা বলেন যে, তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে তার নিজের সমস্ত নিরাপত্তা, এমনকি ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত কর্মীদের সাহায্যের জন্য তৃণমূল একটি বিশেষ তহবিল গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এর আইনি দিকগুলো দেখাশোনা করবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে বলা যায়, বিজেপির বিরুদ্ধে জোট গড়ার এই ডাক পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।