জামালপুরে সার সংকটের খবর ভিত্তিহীন দাবি
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
- / 116
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা-এ সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সার সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট মহল। তারা এ ধরনের সংবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, মেসার্স নিখিল চন্দ্র সাহা এন্টারপ্রাইজ-এর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ- সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং কৃষকদের সঙ্গে অসদাচরণ- বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই সঙ্গতিপূর্ণ নয়। একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও মূল্যের ভিত্তিতেই নিয়মিতভাবে টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সার বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে সারের কোনো ঘাটতি নেই, বরং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সার বিতরণ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া কিছু ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করে সাধারণ কৃষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তোলা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের অপপ্রচার শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করে না, বরং সামগ্রিকভাবে কৃষি খাতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
রশিদ ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রতিটি বিক্রয় প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত নিয়ম মেনে যথাযথভাবে রশিদ প্রদান করা হয়।
প্রতিবাদলিপিতে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ তদন্ত, যাচাই-বাছাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় একপাক্ষিক সংবাদ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করে।
একই সঙ্গে প্রকাশিত সংবাদের জন্য দুঃখ প্রকাশ ও দ্রুত সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায় প্রয়োজনে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রতন মিয়া জানান, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। কেউ যদি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করে বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, কৃষি খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করে বাস্তব তথ্য তুলে ধরা গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।






































