জাপানের সহায়তায় প্রাথমিক শিক্ষায় বড় সংস্কারের পরিকল্পনা
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 8
দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দক্ষতা-নির্ভর ও শিক্ষার্থী-বান্ধব করতে নতুন সংস্কার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ ক্ষেত্রে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তা কাজে লাগানোর কথা জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানের করে তুলতে ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাপানের শিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা, কারিকুলাম উন্নয়ন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর বাংলাদেশ প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকোর নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এতে নাগরিক শিক্ষা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক চর্চা, গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় ও চ্যালেঞ্জভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জাপানের নাগরিক শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও এসব গুণাবলি বিকাশে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধাপে ধাপে ‘ম্যাথ ল্যাব’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর মতে, প্রযুক্তিনির্ভর ও আকর্ষণীয় পদ্ধতিতে গণিত শেখানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
এ ছাড়া শিক্ষা প্রশাসনের কাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে থাইল্যান্ড ও তুরস্কের মডেলও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন এবং তদারকি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে জাইকা প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে। কারিকুলাম উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিশু-বান্ধব শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়।




































