নৌবাহিনীতে পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা কিমের
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 50
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আরও বড় ও আধুনিক যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
নৌ-সামরিক শক্তি বাড়াতে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির নেতা জানিয়েছেন, নৌবাহিনীকে পারমাণবিক সক্ষমতায় উন্নীত করার কর্মসূচি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ করা হবে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নাম্পো বন্দরে নতুন প্রজন্মের একটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কিম। সেখানে তিনি বলেন, সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি জোরদারে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
তার ভাষ্যমতে, গত বছর যুক্ত হওয়া পাঁচ হাজার টন শ্রেণির যুদ্ধজাহাজের পর অচিরেই আরও একটি আধুনিক জাহাজ নৌবহরে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরবর্তী ধাপে প্রায় ১০ হাজার টন ধারণক্ষমতার কৌশলগত যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের কাজও এগিয়ে নেওয়া হবে।
কিম জং উন দাবি করেন, দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বহুমাত্রিক করতে নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন অপরিহার্য। এ লক্ষ্যেই নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এর আগে উত্তর কোরিয়া জানিয়েছিল, তাদের নতুন যুদ্ধজাহাজে উন্নত প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবস্থা সংযোজন করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ওই জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন কিম।
প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, নতুন যুদ্ধজাহাজে উঠে সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিদর্শন করছেন উত্তর কোরিয়ার এই নেতা। অনুষ্ঠানে তিনি নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাও তুলে ধরেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা কেবল সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ নয়; বরং এটি একটি কৌশলগত বার্তাও হতে পারে। তাদের ধারণা, সম্ভাব্য সংঘাতের পরিস্থিতিতে বাইরের সামরিক চাপ মোকাবিলায় নিজেদের প্রতিরোধশক্তি বাড়াতে চাইছে পিয়ংইয়ং।
সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের বৈঠকেও কিম দ্রুত সামরিক আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক তৎপরতা কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট -এর সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়া নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা জোরদারে আরও সক্রিয় অবস্থান নিয়েছে।




































