যে কারণে আরও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
- / 283
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তেল উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। এই অঞ্চলের রপ্তানি বন্ধ হওয়ার ফলে বুধবার (৪ মার্চ) বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১ ডলারেরও বেশি বেড়ে গেছে। খবর-বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ব্রেন্ট তেলের দাম ১ দশমিক ১১ ডলার বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৮২ দশমিক ৫৩ ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের পর সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৭৯ সেন্ট বা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৭৫ দশমিক ৩৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী ইরান জুড়ে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এই হামলার কারণে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে ক্ষতি হয়, যা বিশ্বব্যাপী তেল উৎপাদনের এক তৃতীয়াংশেরও কম।
রয়টার্সকে কর্মকর্তারা জানান, পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী ইরাক উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। মজুদের সীমাবদ্ধতা এবং রফতানি রুট বন্ধ থাকায় দৈনিক প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন কমেছে, যা দেশটির উৎপাদনের অর্ধেক। যদি রফতানি পুনরায় শুরু না হয়, তবে কয়েক দিনের মধ্যে প্রায় ৩ মিলিয়ন ব্যারেল উৎপাদন বন্ধ করতে হতে পারে।
ইরান হরমুজ প্রণালিতেও ট্যাংকারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ব তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস প্রবাহিত হয়। পাঁচটি জাহাজে হামলার পর চতুর্থ দিনের জন্য প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকে।
সৌদি তেল জায়ান্ট আরামকো হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগরের মধ্য দিয়ে কিছু রফতানি রুট পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।






























