ইরানবিরোধী হামলায় ভূমি–আকাশসীমা ব্যবহারে সৌদির না
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / 145
১৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে তেহরানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে স্বাগত জানাচ্ছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর-জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি। সৌদি আরব ইরানকে জানিয়েছে যে তারা তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ডকে তাদের উপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার করতে দেবে না।
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে তেহরানকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
সূত্রগুলো জানায়, ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার হুমকি যখন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রেক্ষাপটে রিয়াদ জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ইরানবিরোধী কোনো সামরিক অভিযানের অংশ হবে না এবং সে উদ্দেশ্যে সৌদি ভূমি বা আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এএফপিকে জানায়, বিষয়টি সরাসরি তেহরানকে অবহিত করা হয়েছে। সরকারের ঘনিষ্ঠ আরেকটি সূত্রও একই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই বার্তা এসেছে এমন এক সময়ে, যখন ইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক হামলার হুমকি দিচ্ছে। এর জবাবে ইরান পাল্টা সতর্কতা দিয়ে বলেছে, নতুন কোনো হামলা হলে তারা আশপাশের দেশ ও জলসীমায় থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং নৌপরিবহনে আঘাত হানতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের এই অবস্থান কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর চীনের মধ্যস্থতায় সৌদি আরব ও ইরানের সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে রিয়াদের এই অবস্থান সরাসরি সংঘাত এড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, যার মধ্যে সৌদি আরবেও মার্কিন ঘাঁটি আছে। ফলে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়লে সৌদি আরবের ভূমিকা নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহলে নজর আরও বাড়ছে।



































