ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঠমান্ডুতে অনলাইনে প্রতারণার দায়ে ১৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 7

প্রতীকী ছবি

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনলাইন প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ বাংলাদেশি ও ৪ ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক চীনা নাগরিককে মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তিনি বর্তমানে পলাতক।

নেপালের পর্যটনকেন্দ্র থামেল এলাকা থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন স্ক্যাম সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযানে ১৫ বাংলাদেশি ও ৪ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে নেপাল পুলিশ। গত শুক্রবার পরিচালিত এ অভিযানের তথ্য মঙ্গলবার প্রকাশ করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার ব্যক্তিদের একটি প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রটি একজন চীনা নাগরিক পরিচালনা করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের আগে তিনি পালিয়ে যান এবং তাকে খুঁজছে পুলিশ।

তদন্তে আরও জানা গেছে, আটক বাংলাদেশিদের অধিকাংশই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করতেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচিত কিছু চীনা অপারেটর তাদের নেপালে নিয়ে আসে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করত এবং অর্থ আদায় করত। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরা; স্থানীয় নেপালিরা এই প্রতারণার মূল টার্গেট ছিলেন না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কাঠমান্ডুতে অনলাইনে প্রতারণার দায়ে ১৫ বাংলাদেশি গ্রেফতার

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনলাইন প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলিং চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৫ বাংলাদেশি ও ৪ ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক চীনা নাগরিককে মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তিনি বর্তমানে পলাতক।

নেপালের পর্যটনকেন্দ্র থামেল এলাকা থেকে পরিচালিত একটি অনলাইন স্ক্যাম সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযানে ১৫ বাংলাদেশি ও ৪ ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে নেপাল পুলিশ। গত শুক্রবার পরিচালিত এ অভিযানের তথ্য মঙ্গলবার প্রকাশ করে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার ব্যক্তিদের একটি প্রতারণা চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রটি একজন চীনা নাগরিক পরিচালনা করতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অভিযানের আগে তিনি পালিয়ে যান এবং তাকে খুঁজছে পুলিশ।

তদন্তে আরও জানা গেছে, আটক বাংলাদেশিদের অধিকাংশই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করতেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, কম্বোডিয়ায় পরিচিত কিছু চীনা অপারেটর তাদের নেপালে নিয়ে আসে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করত এবং অর্থ আদায় করত। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরা; স্থানীয় নেপালিরা এই প্রতারণার মূল টার্গেট ছিলেন না।