ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর পিছানোর সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • / 106

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। কমিটি ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সুপারিশ করেছে, তবে একই সঙ্গে কাঠামোগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিডিপির চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসে আন্তোনিও ওকাম্পো বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছেন যে, কমিটির মূল্যায়নে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো যৌক্তিক হবে।

বাংলাদেশ সরকার গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন করে। পরে ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন।

সিডিপি জানিয়েছে, এলডিসি উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকেই বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং নিকট ও মধ্যমেয়াদে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি কম। তবে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ সংকট, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনসহ নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ উত্তরণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

কমিটি সরকারের ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসটিএস)’ বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে বাংলাদেশ উত্তরণ-পরবর্তী বাজার সুবিধা, আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক প্রস্তুতি আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারবে।

একই সঙ্গে সিডিপি আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, কর আহরণ বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ, উৎপাদন সক্ষমতা উন্নয়ন, অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এবং বেসরকারি খাতকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

কমিটির ভাষ্য, প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধি সংস্কার বিলম্বিত করার সুযোগ নয়; বরং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম আরও দ্রুত বাস্তবায়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করা উচিত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এলডিসি উত্তরণ ৩ বছর পিছানোর সুপারিশ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৭:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। কমিটি ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সুপারিশ করেছে, তবে একই সঙ্গে কাঠামোগত সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিডিপির চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসে আন্তোনিও ওকাম্পো বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছেন যে, কমিটির মূল্যায়নে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মাধ্যমে প্রস্তুতিকাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো যৌক্তিক হবে।

বাংলাদেশ সরকার গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন করে। পরে ৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন।

সিডিপি জানিয়েছে, এলডিসি উত্তরণের জন্য নির্ধারিত তিনটি সূচকেই বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং নিকট ও মধ্যমেয়াদে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি কম। তবে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ সংকট, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিবর্তনসহ নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ উত্তরণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

কমিটি সরকারের ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসটিএস)’ বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে বাংলাদেশ উত্তরণ-পরবর্তী বাজার সুবিধা, আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং অর্থনৈতিক প্রস্তুতি আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারবে।

একই সঙ্গে সিডিপি আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, কর আহরণ বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ, উৎপাদন সক্ষমতা উন্নয়ন, অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এবং বেসরকারি খাতকে প্রস্তুত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

কমিটির ভাষ্য, প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধি সংস্কার বিলম্বিত করার সুযোগ নয়; বরং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম আরও দ্রুত বাস্তবায়নের অনুঘটক হিসেবে কাজ করা উচিত।