প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিয়ে দায় এড়াতে চাই না
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
- / 8
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের বিষয়ে সরকার কোনো অজুহাত দেখিয়ে দায়িত্ব এড়াতে চায় না। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর স্থায়ী সমাধানে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার্য সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই আন্দোলনের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে বিএনপি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে জনগণের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষ কষ্টের মধ্যে রয়েছে। সরকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এবং নিজেদের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে জ্বালানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য, অতীতের লুটপাটে এ খাত দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে পুরো খাত পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন।
গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে সরকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়াও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং বিভাজিত প্রশাসনিক কাঠামো পেয়েছে। রাষ্ট্রের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতই পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি ছিল দেশের সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা একটি গণআন্দোলন। জনগণের সক্রিয় সম্পৃক্ততার কারণেই আন্দোলন সফল হয়েছে এবং এ সফলতার কৃতিত্ব দেশের সর্বস্তরের মানুষের।
বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে এটি এখন কেবল বিএনপির কর্মসূচি নয়, বরং জনগণের কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। তার ভাষ্য, ৩১ দফার মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ভিত্তি তৈরি করা।




































