ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 7

২০২৭ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে নতুন বই। এতে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রমে বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষার বিস্তার ঘটলে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত করার লক্ষ্যে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করতে চায় সরকার।

তিনি আরও বলেন, সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার কাজ করছে। এ জন্য পাঠ্যক্রম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রাথমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন বই

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

২০২৭ সাল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ নামে নতুন বই। এতে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা ও নাট্যকলার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ২০২৮ সালে নতুন শিক্ষাক্রমে বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা, চারুকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষার বিস্তার ঘটলে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে বলেও জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে যুক্ত করার লক্ষ্যে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করতে চায় সরকার।

তিনি আরও বলেন, সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু সহশিক্ষা কার্যক্রম নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সরকার কাজ করছে। এ জন্য পাঠ্যক্রম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।