ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণঅধিকার কর্মীর রগ কাটল জামায়াত-শিবির

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11

গণঅধিকার কর্মীর রগ কাটল জামায়াত-শিবির

কুষ্টিয়ায় সমাবেশে হামলার অভিযোগ তুলে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে তাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দলটি।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।

লিখিত বক্তব্যে তৌকির আহমেদ বলেন, শনিবার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলছিল। সমাবেশের শেষ পর্যায়ে সংসদ সদস্য আমির হামজা এবং আশপাশে থাকা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, হামলার সময় তাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়। এতে তাদের এক কর্মীর দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি কপালে গুরুতর আঘাত লাগে। হামলায় আরও অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

তৌকির আহমেদ অভিযোগ করেন, হামলার পর কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেকের ব্যক্তিগত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালামাল, টাকা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত করা হয় বলে জানান তিনি।

সমাবেশস্থলের পাশ দিয়ে আমির হামজার গাড়ি যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তৌকির আহমেদ। তার দাবি, অন্য পথ দিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি সমাবেশের সামনে গাড়ি থামান, যা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করেছে।

আমির হামজার দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তৌকির আহমেদ বলেন, তিনি দাবি করেছেন যে তৌকির আহমেদই ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছিলেন। এ অভিযোগের পক্ষে ছবি বা ভিডিও দেখানোর চ্যালেঞ্জ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আহত কয়েকজন নেতা-কর্মী বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় একটি এজাহারও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে গণঅধিকার পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের খুলনা বিভাগীয় মুখ্য সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ (তিয়াস), জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপ্লব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গণঅধিকার কর্মীর রগ কাটল জামায়াত-শিবির

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ায় সমাবেশে হামলার অভিযোগ তুলে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে তাদের এক কর্মীর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ করেছে গণঅধিকার পরিষদ। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে দলটি।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন গণঅধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকির আহমেদ।

লিখিত বক্তব্যে তৌকির আহমেদ বলেন, শনিবার বিকেলে কুষ্টিয়া শহরের ছয় রাস্তার মোড়ে তাদের পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ চলছিল। সমাবেশের শেষ পর্যায়ে সংসদ সদস্য আমির হামজা এবং আশপাশে থাকা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি দাবি করেন, হামলার সময় তাদের নেতা-কর্মীদের মারধর করা হয়। এতে তাদের এক কর্মীর দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন নেতার নাকের হাড় ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি কপালে গুরুতর আঘাত লাগে। হামলায় আরও অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।

তৌকির আহমেদ অভিযোগ করেন, হামলার পর কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেকের ব্যক্তিগত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানের মালামাল, টাকা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত করা হয় বলে জানান তিনি।

সমাবেশস্থলের পাশ দিয়ে আমির হামজার গাড়ি যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তৌকির আহমেদ। তার দাবি, অন্য পথ দিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি সমাবেশের সামনে গাড়ি থামান, যা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করেছে।

আমির হামজার দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তৌকির আহমেদ বলেন, তিনি দাবি করেছেন যে তৌকির আহমেদই ইট দিয়ে প্রথম আঘাত করেছিলেন। এ অভিযোগের পক্ষে ছবি বা ভিডিও দেখানোর চ্যালেঞ্জ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আহত কয়েকজন নেতা-কর্মী বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় থানায় একটি এজাহারও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে গণঅধিকার পরিষদ।

সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের খুলনা বিভাগীয় মুখ্য সমন্বয়ক শাকিল আহমেদ (তিয়াস), জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপ্লব হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে জামায়াত-শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।