ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন

নীলফামারীতে সম্মাননা পেলেন তিন সফল মাছচাষি

আরিফুল ইসলাম আরিফ, ​নীলফামারী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 13

নীলফামারীতে সম্মাননা পেলেন তিন সফল মাছচাষি

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে নীলফামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সফল মৎস্যচাষিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহসিন রেজা রুপম ও টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিফাত আরা সিমি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহিনা বেগম ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল।

আলোচনা সভায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের সফল মৎস্যচাষি সাইফুজ্জামান, সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জাবেদ আলী ও খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আব্দুল মালেক বক্তব্য দেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল জানান, নীলফামারী জেলায় বছরে মাছের চাহিদা ৪১ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৩৪ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন। ফলে জেলায় মাছের ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, এ ঘাটতি পূরণে খাল-বিল, জলাশয়, পুকুর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নার্সারি স্থাপন, জেলেদের প্রশিক্ষণ এবং মৎস্য গ্রামের মাধ্যমে মাছ চাষে মানুষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে তিন ব্যক্তি ও একটি জেলে সংগঠনকে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়। গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদনে সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের উত্তর চওড়া গ্রামের বুদারু রায়, উন্নতমানের কার্পজাতীয় মাছ উৎপাদনে কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের সাইফুজ্জামান এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখায় সৈয়দপুর শহরের কুন্দল এলাকার একটি জেলে সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া সফল মৎস্যচাষি হিসেবে জাবেদ আলী ও আব্দুল মালেককেও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন

নীলফামারীতে সম্মাননা পেলেন তিন সফল মাছচাষি

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে নীলফামারীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সফল মৎস্যচাষিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের অতিথিরা। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহসিন রেজা রুপম ও টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিফাত আরা সিমি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক, কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ শাহিনা বেগম ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল।

আলোচনা সভায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের সফল মৎস্যচাষি সাইফুজ্জামান, সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জাবেদ আলী ও খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আব্দুল মালেক বক্তব্য দেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বরুণ কুমার মণ্ডল জানান, নীলফামারী জেলায় বছরে মাছের চাহিদা ৪১ হাজার ৪২৭ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে ৩৪ হাজার ৩৬৭ মেট্রিক টন। ফলে জেলায় মাছের ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, এ ঘাটতি পূরণে খাল-বিল, জলাশয়, পুকুর ও নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নার্সারি স্থাপন, জেলেদের প্রশিক্ষণ এবং মৎস্য গ্রামের মাধ্যমে মাছ চাষে মানুষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে তিন ব্যক্তি ও একটি জেলে সংগঠনকে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়। গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদনে সদর উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের উত্তর চওড়া গ্রামের বুদারু রায়, উন্নতমানের কার্পজাতীয় মাছ উৎপাদনে কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের সাইফুজ্জামান এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনায় অবদান রাখায় সৈয়দপুর শহরের কুন্দল এলাকার একটি জেলে সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া সফল মৎস্যচাষি হিসেবে জাবেদ আলী ও আব্দুল মালেককেও সম্মাননা প্রদান করা হয়।