ঢাকা ০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্যটন প্রকল্পে পিপিপি ও জনসম্পৃক্ততার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 39

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে সম্ভাব্যতা যাচাই, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা এবং সরকারি অর্থায়নের বিকল্প হিসেবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে চলমান প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নেওয়ার আগে এর দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি একটি প্রকল্প যেন অন্য প্রকল্পের পরিপূরক হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চলমান প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করতে হবে। তিনি সরকারি অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলোতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেল ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তার ভাষ্য, উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে হবে সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং পরিবর্তিত বাংলাদেশের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পর্যটন প্রকল্পে পিপিপি ও জনসম্পৃক্ততার নির্দেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণে সম্ভাব্যতা যাচাই, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা এবং সরকারি অর্থায়নের বিকল্প হিসেবে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে চলমান প্রকল্প নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নেওয়ার আগে এর দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি একটি প্রকল্প যেন অন্য প্রকল্পের পরিপূরক হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পেতে বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো জরুরি। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চলমান প্রকল্প শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রকল্প প্রণয়ন করতে হবে। তিনি সরকারি অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলোতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেল ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তার ভাষ্য, উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত লক্ষ্য হতে হবে সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন এবং পরিবর্তিত বাংলাদেশের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।