ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নগদ টাকার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, চেয়েছে ১০ হাজার কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 15

ফাইল ছবি

নগদ অর্থের ঘাটতি ও সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) পূরণে ব্যর্থ হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির প্রধান হিসাবেও টাকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্যাংকটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে প্রধান হিসাব ইতিবাচক থাকলেও সিআরআর সীমা অতিক্রম করে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান হিসাবের অর্থ ৭ হাজার ১৫ কোটি টাকা থেকে কমে প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যার কারণে ব্যাংকটি ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের নামে-বেনামে ঋণ গ্রহণকে কেন্দ্র করে ব্যাংকটি সিআরআর ঘাটতিতে পড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চলতি হিসাবে অর্থ জমাতেও ব্যর্থ হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকটি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দেয়।

গত ২৪ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। পরে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর থেকেই তার নিয়োগের বিরোধিতা করে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ টানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, যা নবম দিনেও অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিআরআর ঘাটতির কারণে ব্যাংকটি সহায়তার জন্য চিঠি দিলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নগদ টাকার সংকটে ইসলামী ব্যাংক, চেয়েছে ১০ হাজার কোটি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নগদ অর্থের ঘাটতি ও সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) পূরণে ব্যর্থ হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির প্রধান হিসাবেও টাকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ব্যাংকটির শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে প্রধান হিসাব ইতিবাচক থাকলেও সিআরআর সীমা অতিক্রম করে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান হিসাবের অর্থ ৭ হাজার ১৫ কোটি টাকা থেকে কমে প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে, যার কারণে ব্যাংকটি ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এস আলম গ্রুপের নামে-বেনামে ঋণ গ্রহণকে কেন্দ্র করে ব্যাংকটি সিআরআর ঘাটতিতে পড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চলতি হিসাবে অর্থ জমাতেও ব্যর্থ হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাংকটি কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও সাম্প্রতিক সময়ে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দেয়।

গত ২৪ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। পরে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর থেকেই তার নিয়োগের বিরোধিতা করে গ্রাহক ও শেয়ারহোল্ডারদের একটি অংশ টানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে, যা নবম দিনেও অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিআরআর ঘাটতির কারণে ব্যাংকটি সহায়তার জন্য চিঠি দিলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।