ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাসনে ধর্ষককে গণধোলাই দিয়ে থানায় সোপর্দ

চরফ্যাসন প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / 67

চরফ্যাসনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোপূর্ক ধর্ষনে অন্তঃস্বত্তা ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী। অভিযুক্ত রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গানধোলাই শেষে পুলিশে সোপন্দ করেন জনতা।

ভিক্টিম কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রফিক মিয়াকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করে রবিবার সকালে আদলতে সোপন্দ করেছেন। অভিযুক্ত রফিক ওই গ্রামের মৃত আলম মেকারের ছেলে।

ভিক্টিম সুত্রে জানা যায়,তার বাবা একজন হোটেল কর্মচারী। চরফ্যাশন পৌরসভা ১ নং ওযার্ড, কাইমুদ্দিন মোড়ে উত্তর পাশে প্রভাষক ইকবাল স্যারের বাড়িতে ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। অভিযুক্ত মোহাম্মদ রফিক ( ৫৫)আর তার প্রতিবেশী।

পাশপাশি বাড়িতে বাসবাস করেন। গতচার মাস আগে ঘটনার দিন রাফিক কৌশলে তাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান । ঘরে ঢুকলে তাকে প্রথম দফায় জোরপুর্বক ধর্ষণ করেন।

পরে তাকে একটি ঔষাধ খাইয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখান। ভয়ে আতংকিত কিশোরী বিষয়টি নিয়ে চুপ থাককেন। এর পর দিন দিন ওই বৃদ্ধের লালসার শিকারে পরিরতন হয়ে পরেন কিশোরী। প্রায় সময় তার স্ত্রীকে দিয়ে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে স্ত্রী তার স্বামী হতে তুলে দিতেন।

এভাবেই চলতো ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষন।এভাবেই কেটে গেলে চার মাস। বিয়ষটি কিশোরী মার আচ করতে পেয়ে কিশোরীর কাছে জানতে চান। কিশোরী তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানান। মা পুরো ঘটনাটি জেনে মেয়ে ভবিষ্যতের কথা চিন্তার বিষয়টি গোপন রেখে মেয়েকে গর্তপাতের সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার রাতে কিশোরীকে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক নার্সের সরনাপন্ন হয় সেখানে গর্ভপাত ঘটনানো হয়।

 

পরে মেয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পরলে বিষটি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ওই বৃদ্ধ রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপন্দ করেন।

কিশোরীর খালা জানান, প্রথমে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। মেয়ের শারিকি অবস্থার পরিবর্তন দেখে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। এবং বিস্তারিত ঘটনাটি আমরা জানতে পারি।

অভিযুক্ত রফিক পুলিশ হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি। মেয়েটি চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী রফিকের সঠিক বিচার দাবি করছে।

চরফ্যাসন থানার ওসি মাহামুদ আল ফরিদ ভুইয়া জানান, ভিক্টিম কিশোরী চিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় ভিক্টিম কিশোরীর বাবা দাবী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদলতে সোপন্দ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চরফ্যাসনে ধর্ষককে গণধোলাই দিয়ে থানায় সোপর্দ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

চরফ্যাসনের বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোপূর্ক ধর্ষনে অন্তঃস্বত্তা ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরী। অভিযুক্ত রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গানধোলাই শেষে পুলিশে সোপন্দ করেন জনতা।

ভিক্টিম কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রফিক মিয়াকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেপ্তার করে রবিবার সকালে আদলতে সোপন্দ করেছেন। অভিযুক্ত রফিক ওই গ্রামের মৃত আলম মেকারের ছেলে।

ভিক্টিম সুত্রে জানা যায়,তার বাবা একজন হোটেল কর্মচারী। চরফ্যাশন পৌরসভা ১ নং ওযার্ড, কাইমুদ্দিন মোড়ে উত্তর পাশে প্রভাষক ইকবাল স্যারের বাড়িতে ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। অভিযুক্ত মোহাম্মদ রফিক ( ৫৫)আর তার প্রতিবেশী।

পাশপাশি বাড়িতে বাসবাস করেন। গতচার মাস আগে ঘটনার দিন রাফিক কৌশলে তাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান । ঘরে ঢুকলে তাকে প্রথম দফায় জোরপুর্বক ধর্ষণ করেন।

পরে তাকে একটি ঔষাধ খাইয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখান। ভয়ে আতংকিত কিশোরী বিষয়টি নিয়ে চুপ থাককেন। এর পর দিন দিন ওই বৃদ্ধের লালসার শিকারে পরিরতন হয়ে পরেন কিশোরী। প্রায় সময় তার স্ত্রীকে দিয়ে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে স্ত্রী তার স্বামী হতে তুলে দিতেন।

এভাবেই চলতো ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষন।এভাবেই কেটে গেলে চার মাস। বিয়ষটি কিশোরী মার আচ করতে পেয়ে কিশোরীর কাছে জানতে চান। কিশোরী তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানান। মা পুরো ঘটনাটি জেনে মেয়ে ভবিষ্যতের কথা চিন্তার বিষয়টি গোপন রেখে মেয়েকে গর্তপাতের সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার রাতে কিশোরীকে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নিয়ে এক নার্সের সরনাপন্ন হয় সেখানে গর্ভপাত ঘটনানো হয়।

 

পরে মেয়ে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পরলে বিষটি এলাকায় জানাজানি হলে গ্রামবাসী ওই বৃদ্ধ রফিককে তার বাড়িতে আটক করে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপন্দ করেন।

কিশোরীর খালা জানান, প্রথমে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। মেয়ের শারিকি অবস্থার পরিবর্তন দেখে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। এবং বিস্তারিত ঘটনাটি আমরা জানতে পারি।

অভিযুক্ত রফিক পুলিশ হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য জানাযায়নি। মেয়েটি চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী রফিকের সঠিক বিচার দাবি করছে।

চরফ্যাসন থানার ওসি মাহামুদ আল ফরিদ ভুইয়া জানান, ভিক্টিম কিশোরী চিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় ভিক্টিম কিশোরীর বাবা দাবী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদলতে সোপন্দ করেছেন।