ইতালি থেকে জরুরি তলব পেসার এবাদতকে
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৪১:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
- / 78
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে একের পর এক চোটে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্রিকেটার ছিটকে যাওয়ায় প্রথম টেস্টের দল পুনর্গঠন করতে হচ্ছে নির্বাচকদের। এই পরিস্থিতিতে ইতালিতে অবস্থানরত পেসার এবাদত হোসেনকে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ মেডিকেল আপডেট অনুযায়ী, পেসার নাহিদ রানা প্রায় আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম প্রথম টেস্টে খেলতে পারবেন না। ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন কুমার দাসও।
এই অবস্থায় প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। শরিফুল ও লিটনের জায়গায় নতুন খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর সঙ্গে ইতালিতে থাকা এবাদত হোসেন পিতৃত্বকালীন ছুটি সংক্ষিপ্ত করে জাতীয় দলে যোগ দিচ্ছেন।
জানা গেছে, ২৯ জুলাই দেশে ফিরে অস্ট্রেলিয়ার ভিসার জন্য বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করবেন এবাদত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভিসা পেলে ৩১ জুলাই রাতে দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার।
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য টিম ম্যানেজমেন্ট ১৭ সদস্যের দল চাইলেও চোটের কারণে আপাতত ১৫ সদস্যের স্কোয়াড নিয়েই প্রথম টেস্টের প্রস্তুতি চলছে। লিটন ও শরিফুল সুস্থ হয়ে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে দ্বিতীয় টেস্টের দলে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে।
লিটনের পরিবর্তে দলে জায়গা পেতে পারেন জাকের আলী। সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে ভালো ব্যাটিং করে নির্বাচকদের নজর কেড়েছেন তিনি। সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তিনি ৬১ ও অপরাজিত ৫৬ রান করেন।
পেস আক্রমণে তাসকিন আহমেদের নেতৃত্বে থাকবেন এবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ এবং রবিউল হক। কলম্বো ক্যাপসের হয়ে ম্যাচ খেলার পর হাসান মাহমুদ শিগগিরই জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন।
এদিকে মুস্তাফিজুর রহমানসহ একাধিক পেসারের ইনজুরির কারণে নির্বাচকদের বিকল্পের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়েছে।
দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই সিরিজকে ঘিরে দলের প্রত্যাশা ছিল অনেক। তবে নাহিদ রানাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন ক্রিকেটারের চোট সেই পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে।
তারপরও সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন আশাবাদী। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াই কঠিন হলেও বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে সক্ষম। তিনি বলেন, তাসকিন, এবাদত, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের টেস্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ব্যাটাররা দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স করতে পারলে ভালো ফলের সুযোগ থাকবে।
তবে সুজনের মতে, দলের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ বোলিং নয়, ব্যাটিং। জিম্বাবুয়ে সফরে সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টি তিনি উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।





























