ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 58

কর কাঠামো ও বিনিয়োগ পরিবেশে সংস্কারের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ন্যায়সংগত ও স্বচ্ছ করব্যবস্থা গড়ে তুললে এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন শক্তিশালী করা গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়তে পারে বলে সরকার ধারণা করছে।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে, আর ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনকে সরল কোনো পথ হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এর জন্য ধারাবাহিক সংস্কার ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাই বেশি জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী মনে করেন, কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, পূর্বানুমানযোগ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন হবে। সে কারণে নথি ডিজিটালাইজেশন, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ হ্রাসের উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, এসব সংস্কার কেবল রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়; বরং বেসরকারি খাতের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও তা ভূমিকা রাখতে পারে, যদিও বাস্তবায়নের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কর কাঠামো ও বিনিয়োগ পরিবেশে সংস্কারের মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ন্যায়সংগত ও স্বচ্ছ করব্যবস্থা গড়ে তুললে এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন শক্তিশালী করা গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি বাড়তে পারে বলে সরকার ধারণা করছে।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য ধরা হয়েছে, আর ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে এই লক্ষ্য অর্জনকে সরল কোনো পথ হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এর জন্য ধারাবাহিক সংস্কার ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথাই বেশি জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী মনে করেন, কর ব্যবস্থাকে আরও সহজ, পূর্বানুমানযোগ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন হবে। সে কারণে নথি ডিজিটালাইজেশন, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ হ্রাসের উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, এসব সংস্কার কেবল রাজস্ব আদায়ের জন্য নয়; বরং বেসরকারি খাতের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও তা ভূমিকা রাখতে পারে, যদিও বাস্তবায়নের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে নীতিগত ধারাবাহিকতার ওপর।