ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 347

দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের বাগদিয়ার আইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সাতপোতা মডেল একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর ফুফু বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মহেশপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। রাতে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে প্রধান অভিযুক্ত আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অন্য আসামিরা হলেন- বাগদিয়ার আইট গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে শাওন, ওই গ্রামের দিনু মিয়ার ছেলে নয়ন ও ফরিদ মিয়ার ছেলে আমিন।

মামলার বাদি জানিয়েছেন, পড়াশোনার সময় আমার ভাইয়ের মেয়ের সঙ্গে একটি ছেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে বাড়ির পাশের রাস্তায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আলী ও শাওন ওই প্রেমিককে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। এ সময় তারা আমার ভাতিজির মুখ চেপে ধরে পাশ্ববর্তী মাঠের ঘাসখেতের ভেতরে নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আগে থেকে নয়ন ও আমিন অবস্থান করছিলেন। পরে আলী, শাওন ও নয়ন মিলে ভয়র্ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় আমিন ধর্ষণের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পরপরই রাতে অভিযান চালিয়ে আলীকে গ্রেফতার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মোবাইলে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে উপজেলার কাজিরবেড় ইউনিয়নের বাগদিয়ার আইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সাতপোতা মডেল একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর ফুফু বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মহেশপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। রাতে অভিযান চালিয়ে ওই গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে প্রধান অভিযুক্ত আলীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

অন্য আসামিরা হলেন- বাগদিয়ার আইট গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে শাওন, ওই গ্রামের দিনু মিয়ার ছেলে নয়ন ও ফরিদ মিয়ার ছেলে আমিন।

মামলার বাদি জানিয়েছেন, পড়াশোনার সময় আমার ভাইয়ের মেয়ের সঙ্গে একটি ছেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার রাতে বাড়ির পাশের রাস্তায় প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আলী ও শাওন ওই প্রেমিককে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। এ সময় তারা আমার ভাতিজির মুখ চেপে ধরে পাশ্ববর্তী মাঠের ঘাসখেতের ভেতরে নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আগে থেকে নয়ন ও আমিন অবস্থান করছিলেন। পরে আলী, শাওন ও নয়ন মিলে ভয়র্ভীতি দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় আমিন ধর্ষণের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন।

এ বিষয়ে মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পরপরই রাতে অভিযান চালিয়ে আলীকে গ্রেফতার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।