ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁচতে চান কৃষক খলিল, দরকার সবার সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চরফ্যাশন (ভোলা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / 10

পরিবার নিয়ে কৃষক খলিল। ছবি: বাংলা অ্যাফেয়ার্স

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কৃষক মো. খলিল (৪৫) দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। চিকিৎসায় প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয় করে পরিবারটি এখন নিঃস্ব। অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।

মো. খলিল উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চর ফকিরা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ইসমাইল শেখের ছেলে। কৃষিকাজ করেই স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান নিয়ে চলছিল তাঁর সংসার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। অসুস্থ হওয়ার পর পুরো পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমদিকে খলিল জ্বরে আক্রান্ত হলে স্থানীয় চিকিৎসকেরা টাইফয়েড শনাক্ত করে চিকিৎসা দেন। তবে অবস্থার উন্নতি না হয়ে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে থাকে এবং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর ক্যানসার ধরা পড়ে।

এরপর রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন খলিল। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পরিবারের জমিজমা, সঞ্চয়সহ প্রায় সব সম্পদ বিক্রি করতে হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে পরিবার জানিয়েছে।

খলিলের স্ত্রী সুখী বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আমার স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে চিকিৎসার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা আমাদের পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই।’

প্রতিবেশী ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, খলিলের পরিবারে স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী শয্যাশায়ী হয়ে পড়ায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতার আহ্বান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাঁচতে চান কৃষক খলিল, দরকার সবার সহায়তা

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার কৃষক মো. খলিল (৪৫) দীর্ঘ ১৩ মাস ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন। চিকিৎসায় প্রায় ৯ লাখ টাকা ব্যয় করে পরিবারটি এখন নিঃস্ব। অর্থাভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা।

মো. খলিল উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের চর ফকিরা গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ইসমাইল শেখের ছেলে। কৃষিকাজ করেই স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান নিয়ে চলছিল তাঁর সংসার। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। অসুস্থ হওয়ার পর পুরো পরিবার এখন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রথমদিকে খলিল জ্বরে আক্রান্ত হলে স্থানীয় চিকিৎসকেরা টাইফয়েড শনাক্ত করে চিকিৎসা দেন। তবে অবস্থার উন্নতি না হয়ে শরীরে রক্তের পরিমাণ কমতে থাকে এবং শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর ক্যানসার ধরা পড়ে।

এরপর রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন খলিল। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পরিবারের জমিজমা, সঞ্চয়সহ প্রায় সব সম্পদ বিক্রি করতে হয়েছে। এখন প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে পরিবার জানিয়েছে।

খলিলের স্ত্রী সুখী বলেন, ‘চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আমার স্বামীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে চিকিৎসার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা আমাদের পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই।’

প্রতিবেশী ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, খলিলের পরিবারে স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী শয্যাশায়ী হয়ে পড়ায় পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। তিনি সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতার আহ্বান জানান।