ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে নভোএয়ারের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / 14

ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নভোএয়ারের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি ঢাকায় জরুরি অবতরণ করে। প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর দেওয়ার পর বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া নভোএয়ারের বিকিউ-৯৩৫ ফ্লাইটে উড্ডয়নের ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাহার না হওয়ায় ক্যাপ্টেন নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট আকাশে অবস্থান করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইটটিতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহণবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও যাত্রী হিসেবে ছিলেন।

হুমায়ুন কবির জানান, ল্যান্ডিং গিয়ার বারবার চেষ্টা করেও ওপরে তোলা সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেনের ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত যথাযথ ছিল। তবে এ সময় বিমানের ভেতরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে শিশুদের কান্নায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ অবতরণের জন্য ক্যাপ্টেনকে কিছু সময় আকাশে অবস্থান করে বিমানের গতি কমাতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।

ঘটনার পর পুরোনো উড়োজাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা আরও কঠোর করার আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যাত্রী নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয় এবং নিয়মিত ও কার্যকর ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে নভোএয়ারের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নভোএয়ারের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি ঢাকায় জরুরি অবতরণ করে। প্রায় ৪৫ মিনিট আকাশে চক্কর দেওয়ার পর বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া নভোএয়ারের বিকিউ-৯৩৫ ফ্লাইটে উড্ডয়নের ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। ল্যান্ডিং গিয়ার স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাহার না হওয়ায় ক্যাপ্টেন নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানটি ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন।

প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট আকাশে অবস্থান করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ করে। ফ্লাইটটিতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র ও বেসামরিক বিমান পরিবহণবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও যাত্রী হিসেবে ছিলেন।

হুমায়ুন কবির জানান, ল্যান্ডিং গিয়ার বারবার চেষ্টা করেও ওপরে তোলা সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতিতে ক্যাপ্টেনের ঢাকায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত যথাযথ ছিল। তবে এ সময় বিমানের ভেতরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে শিশুদের কান্নায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ অবতরণের জন্য ক্যাপ্টেনকে কিছু সময় আকাশে অবস্থান করে বিমানের গতি কমাতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।

ঘটনার পর পুরোনো উড়োজাহাজের ফিটনেস পরীক্ষা আরও কঠোর করার আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যাত্রী নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয় এবং নিয়মিত ও কার্যকর ফিটনেস পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।