ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক রুটে উন্নীত করার পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 9

রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের বিমান চলাচল ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে নতুন ডিজিটাল লজিস্টিক প্ল্যাটফর্ম চালুর কথাও জানানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করতে একটি সমন্বিত এয়ার কানেক্টিভিটি গ্রিড তৈরি করা হবে। ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও সিলেটকে যাত্রী ও কার্গো পরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করা হবে।

বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানান, এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ধাপে ধাপে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল সম্প্রসারণ, ঢাকার তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের রানওয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, যা পর্যটন ও যাত্রীসেবায় নতুন গতি আনবে বলে জানানো হয়।

সরকার একই সঙ্গে বিমানবন্দরের সেবা ডিজিটালাইজেশন, কার্গো ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে একটি আলাদা পরিকল্পনাও তৈরি হচ্ছে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় এবং জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক রুটে উন্নীত করার পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। একই সঙ্গে দেশের বিমান চলাচল ও বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে নতুন ডিজিটাল লজিস্টিক প্ল্যাটফর্ম চালুর কথাও জানানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে আরও শক্তিশালী করতে একটি সমন্বিত এয়ার কানেক্টিভিটি গ্রিড তৈরি করা হবে। ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও সিলেটকে যাত্রী ও কার্গো পরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করা হবে।

বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী জানান, এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে ধাপে ধাপে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল সম্প্রসারণ, ঢাকার তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের রানওয়ে সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, যা পর্যটন ও যাত্রীসেবায় নতুন গতি আনবে বলে জানানো হয়।

সরকার একই সঙ্গে বিমানবন্দরের সেবা ডিজিটালাইজেশন, কার্গো ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে একটি আলাদা পরিকল্পনাও তৈরি হচ্ছে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় এবং জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত হয়।