ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক কার্ডে ১,০৬২ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 12

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ ও লবণচাষিদের জন্য কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ১০০ উপজেলায় প্রায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কৃষক কার্ড খাতে মোট ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর আগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কয়েকটি বিভাগ ও জেলায় সীমিত পরিসরে কৃষকদের কার্ড প্রদান করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হয়।

প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণ ও সহায়তার ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৩.৬ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য হিসেবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আনা, ব্যবসায়িক পরিবেশ কিছুটা শিথিল করা এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষক কার্ডে ১,০৬২ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রস্তাব

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ ও লবণচাষিদের জন্য কৃষক কার্ড কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ১০০ উপজেলায় প্রায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কৃষক কার্ড খাতে মোট ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর আগে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে বিভিন্ন সেবা পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়। পরীক্ষামূলক পর্যায়ে কয়েকটি বিভাগ ও জেলায় সীমিত পরিসরে কৃষকদের কার্ড প্রদান করা হয়েছিল, যা পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করা হয়।

প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণ ও সহায়তার ওপর নির্ভর করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেট ঘাটতি জিডিপির প্রায় ৩.৬ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য হিসেবে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি আনা, ব্যবসায়িক পরিবেশ কিছুটা শিথিল করা এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিকে বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।