শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে থাকা পণ্য ই-নিলামে বিক্রি
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / 9
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা বিভিন্ন পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা কাস্টম হাউস। কার্যক্রমের দক্ষতা বাড়ানো, নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানো এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিট ও এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটে দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের পণ্য ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ লক্ষ্যে আগ্রহী ক্রেতাদের কাছ থেকে অনলাইনে দরপত্র আহ্বান করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাস্টমস হাউস, ঢাকার অধিক্ষেত্রাধীন এসব ইউনিটে থাকা মালামাল ‘যেখানে যে অবস্থায় আছে’ ভিত্তিতে ই-নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এ জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে।
এনবিআরের বিশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো লটের ক্ষেত্রে প্রথম নিলামে সংরক্ষিত মূল্য অর্জিত না হলেও প্রাপ্ত দরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে সংশ্লিষ্ট লট বিক্রি করা হবে।
নিলামে অংশ নিতে আগ্রহীরা ১৯ জুন সকাল ৯টা থেকে ২ জুলাই দুপুর ১টা পর্যন্ত ই-অকশন ওয়েবসাইটে নিবন্ধন বা লগইন করে দরপত্র জমা দিতে পারবেন।
এনবিআর জানিয়েছে, পুরো নিলাম কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিডারদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগও রাখা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে তারা অনলাইনে দরপত্র দাখিল করতে পারবেন। তবে জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতিমালার প্রযোজ্য শর্ত অনুসরণ করে পণ্য খালাস নিতে হবে।
ই-অকশন সফটওয়্যারে অংশগ্রহণকারী বিডারদের তথ্য আগামী ২ জুলাই দুপুর ৩টায় ঢাকা কাস্টমস হাউসের সম্মেলন কক্ষে প্রকাশ করা হবে।
এনবিআরের মতে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও দক্ষ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ই-নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।































