ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় মহাখালীতে আওয়ামী লীগ, গণভবনের সামনে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • / 10

রাজধানীতে একই দিনে পৃথক দুটি ঝটিকা কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। মহাখালীতে মিছিল শেষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে গণভবনের সামনে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হলেও সেখানে কাউকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি।

ঢাকার মহাখালী ও গণভবনসংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পৃথক দুটি ঝটিকা কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে মহাখালীতে মিছিল শেষে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সকাল ৯টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল সড়কে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান দেওয়া হয়। ব্যানার ও ফেস্টুনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিন থেকে চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আরা বেবি (৫০) ও শামীম হোসেনকে (৪৮) আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ‘প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে একটি মানববন্ধনের প্রস্তুতির সময় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

এদিকে সকাল ১০টার দিকে গণভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের যুবলীগের নেতাকর্মীরা। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল মোহাম্মদপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিবের ব্যানারে রেসিডেন্সিয়াল কলেজের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। পরে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণভবনের মূল ফটকসংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

তবে মিছিলের স্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেসবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল তাদের থানা এলাকার মধ্যে নয় এবং মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে আগে কোনো তথ্য ছিল না। অন্যদিকে শেরে বাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলামও দাবি করেন, মিছিলের স্থান তাদের থানা এলাকার আওতায় পড়ে না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুই কর্মসূচির ঘটনায় রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের সংগঠনগুলোর প্রকাশ্য উপস্থিতি ও কর্মসূচি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকায় মহাখালীতে আওয়ামী লীগ, গণভবনের সামনে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

রাজধানীতে একই দিনে পৃথক দুটি ঝটিকা কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা। মহাখালীতে মিছিল শেষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে গণভবনের সামনে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হলেও সেখানে কাউকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি।

ঢাকার মহাখালী ও গণভবনসংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পৃথক দুটি ঝটিকা কর্মসূচি পালন করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে মহাখালীতে মিছিল শেষে কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সকাল ৯টার দিকে মহাখালী বাস টার্মিনালের মূল সড়কে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ স্লোগান দেওয়া হয়। ব্যানার ও ফেস্টুনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানান, সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিন থেকে চারটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মিজানুর রহমান হাওলাদার (৪০), শামীম আরা বেবি (৫০) ও শামীম হোসেনকে (৪৮) আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ‘প্রগতিশীল নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে একটি মানববন্ধনের প্রস্তুতির সময় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল ইমরান।

এদিকে সকাল ১০টার দিকে গণভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের যুবলীগের নেতাকর্মীরা। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল মোহাম্মদপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিবের ব্যানারে রেসিডেন্সিয়াল কলেজের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে। পরে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গণভবনের মূল ফটকসংলগ্ন এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

তবে মিছিলের স্থান নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মোহাম্মদপুর থানার ওসি মেসবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল তাদের থানা এলাকার মধ্যে নয় এবং মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে আগে কোনো তথ্য ছিল না। অন্যদিকে শেরে বাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলামও দাবি করেন, মিছিলের স্থান তাদের থানা এলাকার আওতায় পড়ে না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুই কর্মসূচির ঘটনায় রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ কার্যক্রমের সংগঠনগুলোর প্রকাশ্য উপস্থিতি ও কর্মসূচি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।