পদ্মা সেতুর পিলারের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: সেতুমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / 12
পদ্মা সেতুর পিলারের কাছ থেকে সাময়িকভাবে ভরাট করা মাটি সরানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, এটি মূল কাঠামোর অংশ নয়; বরং নির্মাণকাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল, যার সঙ্গে সেতুর নিরাপত্তার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) এক সংলাপে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন। মন্ত্রী জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি সেনাবাহিনীর প্রকৌশলী ও প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এতে সেতুর কাঠামোগত কোনো ঝুঁকি নেই।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় নদীর দুই তীরে কিছু এলাকায় কাজের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে মাটি ভরাট করা হয়েছিল, যাতে ভারী যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী সহজে চলাচল করতে পারে। কাজ শেষ হলে এসব মাটি অপসারণ করার কথা ছিল, যদিও কিছু অংশ পরে রয়ে যায়।
তার ভাষায়, দীর্ঘ সময় মাটি পড়ে থাকায় সেখানে ঘাস জন্মে প্রাকৃতিক ভূমির মতো চেহারা তৈরি হয়েছে, ফলে এখন অপসারণ শুরু হলে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হচ্ছে। তবে বাস্তবে এটি সেতুর পাইল বা মূল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত নয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফিজিবিলিটি স্টাডি অনুযায়ী নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা ঠিক রাখতে এসব অস্থায়ী ভরাট অপসারণ করা প্রয়োজন, যা প্রকল্পের পরিকল্পনার মধ্যেই ছিল।
একই সংলাপে তিনি রাজধানীর বাস টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা নিয়েও কথা বলেন। পর্যায়ক্রমে ঢাকার বড় টার্মিনালগুলো শহরের বাইরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি রুটভিত্তিক বাস কোম্পানি ব্যবস্থা চালুর কথাও উল্লেখ করেন, যাতে প্রতিযোগিতার নামে বিশৃঙ্খলা ও যানজট কমানো যায়।































