পর্যটনের আড়ালে বিপজ্জনক কক্সবাজার
- সর্বশেষ আপডেট ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
- / 15
পর্যটকের ভিড় বাড়ছে, গড়ে উঠছে নতুন হোটেল-রিসোর্ট; কিন্তু নিরাপদ ও পরিকল্পিত পর্যটন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি কক্সবাজারে। অনুমোদনহীন আবাসন, অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি, পরিবেশদূষণ, সৈকত দখল, যানজট ও পর্যটকদের হয়রানির মতো নানা সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে জেঁকে বসেছে দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রটিতে। ইনানীর টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনা এসব অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার ভয়াবহ চিত্র সামনে এনেছে।
নেপাল, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বহু দেশের অর্থনীতিতে পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অথচ বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও কক্সবাজার এখনো একটি আদর্শ পর্যটন শহর হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি। অপরিকল্পিতভাবে হোটেল-রিসোর্ট নির্মাণ, পরিবেশবিধি লঙ্ঘন এবং কার্যকর নজরদারির অভাবে পর্যটন খাতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিভিন্ন সময়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও জরিমানা করা হলেও অনিয়ম পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না।
অনুমোদনহীন হোটেল-রিসোর্টে বাড়ছে ঝুঁকি
কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমোদনহীন হোটেল ও রিসোর্টের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দুর্গাপূজার ছুটির পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নিয়ে বড় পরিসরে অভিযান শুরু করার কথা রয়েছে। এর আগে হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, জেলায় ঠিক কতটি হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে, তার নির্ভুল হিসাব বলা কঠিন। কারণ, নিয়মিত জরিপ করা হয় না। অনেকেই রাতারাতি হোটেল-রিসোর্ট তৈরি করে ফেলেন। সব মিলিয়ে কক্সবাজারে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ হোটেল, রিসোর্ট ও মোটেল রয়েছে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও পূজার ছুটির পর বড় পরিসরে অভিযান চালানো হবে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ইকো রিসোর্টের প্রতি পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ায় অনেকে দ্রুত এসব স্থাপনা নির্মাণ করছেন। অন্যদিকে, শহরের বাইরে বাস টার্মিনাল থাকলেও পর্যটকদের অনুরোধে অনেক বাস শহরের ভেতরে প্রবেশ করে। পর্যটকেরা হোটেলের সামনে বা কাছাকাছি স্থান থেকে বাসে উঠতে চান।
সড়কে ডাকাতি, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
কক্সবাজারের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের আরেকটি কারণ সড়কে ডাকাতি। গত সোমবার ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সড়কের হিমছড়ি ঢালা এলাকায় দুই দফায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দুপুর ও বিকেলে প্রায় ৫০টি যানবাহনের যাত্রীরা ডাকাতদের কবলে পড়েন বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
তাদের অভিযোগ, মুখোশ পরা ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এ সময় নগদ টাকা, মুঠোফোনসহ মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। কয়েকজন যাত্রীকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধরও করা হয়। এ ধরনের ঘটনা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।
অগ্নিনিরাপত্তায় ঘাটতি, পরিবেশও বিপন্ন
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কক্সবাজারে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করার পথে বড় বাধা অপরিকল্পিত আবাসন, অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি ও পরিবেশদূষণ। শহর ও সৈকতের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে হোটেল, রিসোর্ট, কটেজ ও খাবারের দোকান গড়ে উঠেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা এবং পয়োবর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
সৈকতে প্লাস্টিক বর্জ্য, চিপসের প্যাকেট ও অন্যান্য আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকে। অধিকাংশ হোটেল-রেস্তোরাঁয় সুনির্দিষ্ট পয়োনিষ্কাশন ও তরল বর্জ্য শোধনাগার না থাকার অভিযোগও রয়েছে। অন্যদিকে, মেরিন ড্রাইভের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) রিসোর্ট নির্মাণ এবং পাহাড় কাটা, বালিয়াড়ি দখল ও নদী ভরাটের মতো কর্মকাণ্ড পরিবেশের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
পর্যটন জোনিং ও কার্যকর মহাপরিকল্পনার অভাবে কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকায় অপরিকল্পিত বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। ফলে শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশগত ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সৈকতে হকার, ভিক্ষুক ও অপেশাদার গাইডদের কারণে পর্যটকদের হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।
ছুটির দিন ও পর্যটনের ভরা মৌসুমে মেরিন ড্রাইভসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে তীব্র যানজট তৈরি হয়। যেখানে-সেখানে পর্যটকবাহী গাড়ি পার্কিং, অতিরিক্ত অটোরিকশা এবং সড়ক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সৈকতে মৃত্যুঝুঁকি, পর্যাপ্ত লাইফগার্ড নেই
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে চোরাবালি ও পানির নিচের গর্তে পড়ে পর্যটকদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ভাটার সময় লাল পতাকা বা বিপৎসংকেত দেওয়া হলেও অনেকে তা উপেক্ষা করে পানিতে নামেন। এ পরিস্থিতিতে পর্যটকদের সচেতনতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড, কার্যকর নজরদারি এবং দ্রুত উদ্ধারব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
পর্যটন মৌসুমে হোটেলভাড়া কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অথচ পর্যটকদের জন্য ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা এবং সেবার মান তদারকির যথাযথ কাঠামো নেই। একই সঙ্গে প্রতিদিন কত পর্যটক কক্সবাজারে আসছেন, তার নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান ও সমন্বিত তথ্যভান্ডারের অভাব পরিকল্পনা গ্রহণকে কঠিন করে তুলছে।
সৈকত দখলের চিত্রও উদ্বেগজনক। গত চার-পাঁচ দিনে সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে চার শতাধিক দোকান ও রেস্তোরাঁ বসানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৈকতের ঝাউবাগান ও বালিয়াড়ি দখল করে আরও দোকান নির্মাণের প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে।
আইন আছে, মানা হচ্ছে না
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার অন্তর্ভুক্ত। এসব এলাকায় পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করে এমন স্থাপনা নির্মাণ এবং মাটি, পানি ও বায়ুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য নষ্ট করতে পারে; এমন কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।
কক্সবাজারভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) চেয়ারম্যান মুজিবুল হক বলেন, সৈকতে স্থাপনা নির্মাণ না করা এবং স্থায়ী ও অস্থায়ী স্থাপনা অপসারণের বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া ২০১৩ সালে সরকার কক্সবাজারের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
তিনি জানান, ওই মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী কক্সবাজার পৌরসভা এলাকায় জোয়ার-ভাটার মধ্যবর্তী রেখা থেকে সৈকতসংলগ্ন প্রথম ৩০০ মিটার এলাকাকে ‘নো ডেভেলপমেন্ট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। তারপরও সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।
পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে হোটেল
কক্সবাজার শহরের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে সড়কের পূর্ব পাশে অবস্থিত নয়তলা তারকা মানের আবাসিক হোটেল উইন্ডি টেরেসের পরিবেশ ছাড়পত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১২ সালের ২২ জানুয়ারি হোটেলটিকে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ছাড়পত্রবিষয়ক কমিটির ৯৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২টি শর্তে ওই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল।
শর্তগুলোর মধ্যে পয়োবর্জ্য শোধনাগার (এসটিপি) স্থাপন, এর নকশা ও কার্যকারিতার পরিকল্পনা পরিবেশ অধিদপ্তরে জমা দেওয়া এবং অগ্নিনিরাপত্তাসহ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করার বিষয় ছিল। পরে ২০২৩ সালের ৯ জানুয়ারি হোটেলটির পরিবেশ ছাড়পত্র ২০২৫ সাল পর্যন্ত নবায়ন করা হয়। তবে ২০২৫ সালের পর থেকে ছাড়পত্র নবায়ন বন্ধ রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয় থেকে গত ২০ জানুয়ারি হোটেল কর্তৃপক্ষকে পাঠানো চিঠিতে পয়োবর্জ্য শোধনাগারের ড্রয়িং, ডিজাইন ও ক্যালকুলেশন, হালনাগাদ আয়কর প্রত্যয়নপত্র এবং এসটিপি নির্মাণের অগ্রগতির কাগজপত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, নির্ধারিত সময়ের পরও প্রায় নয় মাস পেরিয়ে গেছে, কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়নি। কাগজপত্র জমা না দিলে পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন করা হবে না। পরে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলায় এ পর্যন্ত ৪৪টি আবাসিক হোটেলকে পরিবেশ ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শর্ত পূরণ করতে না পারায় এর মধ্যে ২৯টি হোটেলের ছাড়পত্র নবায়ন বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৫টি হোটেলের পরিবেশ ছাড়পত্র রয়েছে।
১১ কিলোমিটার সড়কে ২৩ হাজারের বেশি তিন চাকার যান
কক্সবাজারের যানজটের অন্যতম কারণ তিন চাকার যানবাহনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। পৌরসভার প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়কে ২৩ হাজারের বেশি তিন চাকার যান চলাচল করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর বাইরে দূরপাল্লার চার শতাধিক গণপরিবহন, পাঁচ হাজারের বেশি মিনিবাস, মাইক্রোবাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও কার-জিপ চলাচল করে।
টানা কয়েক দিনের ছুটিতে পাঁচ থেকে ছয় লাখ পর্যটকের সমাগম হলে যানবাহনের চাপ আরও বেড়ে যায়। তখন অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচ হাজার যানবাহন শহরে প্রবেশ করে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
শহরে তিন হাজার ইজিবাইক চলাচলের অনুমতি থাকলেও বর্তমানে চলছে ২৩ হাজারের বেশি। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে মাত্র দুই শতাধিক বাস রাখার জায়গা রয়েছে। ফলে অনেক গাড়ি বাইপাস, কলাতলী ও সৈকত সড়কের দুই পাশে রাখা হয়, যা যানজট বাড়ায়।
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ বলেন, প্রায় এক যুগ আগে শহরে চলাচলের জন্য তিন হাজার ইজিবাইকের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি আরও ৫০০ ইজিবাইকের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শহরের ভেতরে ২০ হাজারের বেশি ইজিবাইক চলাচল করছে। মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইজিবাইক জব্দ করা হলেও যানবাহনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের গণি জানান, শহরে চলাচলকারী তিন চাকার যানবাহনের ব্যাটারি চার্জ দিতে প্রতিদিন দুই থেকে তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়। শহরের বিভিন্ন গ্যারেজে এসব যানবাহনের ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হয়।
কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মোরশেদ চৌধুরী খোকা বলেন, তিন চাকার যানবাহনের সংখ্যা এতটাই বেড়েছে যে সড়কে হাঁটার জায়গাও পাওয়া যায় না। লালদীঘিরপাড় থেকে বার্মিজ মার্কেট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা লেগে যায়। যানজটে অ্যাম্বুলেন্স আটকে পড়ায় গুরুতর অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ, আবাসন ব্যবস্থাপনা ও যান চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। অনুমোদনহীন স্থাপনা নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত, সৈকত দখল বন্ধ, পরিবেশবিধি কার্যকর এবং যানবাহন নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রটির সম্ভাবনা আরও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
































