ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধ মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বিস্ময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 100

অবৈধ মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বিস্ময়

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানিয়েছেন, বন্দীরা মাঝে মাঝে অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাকে ফোন করেন। তিনি বলেন, “এটি বিস্ময়কর হলেও ঘটছে। তারা সাধারণত ফোন দিয়ে অন্য কারও অবস্থান বা কর্মকাণ্ড জানায়। অনেক সময় আমরা এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেছি বা ব্যবস্থা নিয়েছি। এটি কোনোভাবেই অস্বীকার করা সম্ভব নয়, তবে আমাদের চেষ্টা চলছেই।”

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন।

বন্দীদের জন্য ল্যান্ডফোন ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতি সপ্তাহে একবার করে ৫ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকে। তবে বর্তমান ম্যানুয়াল সিস্টেমের কারণে এটি যথাযথভাবে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। “স্বজন ও আইনজীবী ছাড়া ফোন ব্যবহার না করার কথা থাকলেও অপব্যবহার হচ্ছে। তাই আমরা একটি অটোমেশন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছি। কেরানীগঞ্জ কারাগারে ইতোমধ্যে এটি চালু হচ্ছে, এবং মোট ১৩টি কারাগারে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। এতে কারারক্ষীদের কাজের চাপ কমবে এবং অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, “আমরা ধীরে ধীরে কারাগারগুলোতে কম্প্রিহেন্সিভ জ্যামিং সিস্টেম চালুর চেষ্টা করছি। প্রথমে স্পেশাল জেল ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে এটি লাগানো হবে। ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ সব কারাগারে এটি প্রবর্তন করা হবে।”

রাজনৈতিক বা ভিআইপি বন্দীদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমার কাছে রাজনৈতিক বা ভিআইপি বন্দী বলে কিছু নেই। এখানে বন্দী সবাই বিভিন্ন অভিযোগের আসামি; কেউ মারামারি, কেউ হত্যা বা গণহত্যার মামলায় যুক্ত। আমরা বন্দীদের আলাদা করি মামলার ধারা ও গুরুত্ব অনুসারে। বর্তমানে ১৬৩ জন ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দী আছেন, আর ২৮ জন আবেদন করেও ডিভিশন পাননি।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অবৈধ মোবাইল ব্যবহার নিয়ে কারা মহাপরিদর্শকের বিস্ময়

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন জানিয়েছেন, বন্দীরা মাঝে মাঝে অবৈধ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তাকে ফোন করেন। তিনি বলেন, “এটি বিস্ময়কর হলেও ঘটছে। তারা সাধারণত ফোন দিয়ে অন্য কারও অবস্থান বা কর্মকাণ্ড জানায়। অনেক সময় আমরা এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেছি বা ব্যবস্থা নিয়েছি। এটি কোনোভাবেই অস্বীকার করা সম্ভব নয়, তবে আমাদের চেষ্টা চলছেই।”

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন।

বন্দীদের জন্য ল্যান্ডফোন ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতি সপ্তাহে একবার করে ৫ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকে। তবে বর্তমান ম্যানুয়াল সিস্টেমের কারণে এটি যথাযথভাবে সীমাবদ্ধ রাখা সম্ভব হয়নি। “স্বজন ও আইনজীবী ছাড়া ফোন ব্যবহার না করার কথা থাকলেও অপব্যবহার হচ্ছে। তাই আমরা একটি অটোমেশন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছি। কেরানীগঞ্জ কারাগারে ইতোমধ্যে এটি চালু হচ্ছে, এবং মোট ১৩টি কারাগারে এই ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। এতে কারারক্ষীদের কাজের চাপ কমবে এবং অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।”

তিনি আরও জানান, “আমরা ধীরে ধীরে কারাগারগুলোতে কম্প্রিহেন্সিভ জ্যামিং সিস্টেম চালুর চেষ্টা করছি। প্রথমে স্পেশাল জেল ও কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে এটি লাগানো হবে। ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ সব কারাগারে এটি প্রবর্তন করা হবে।”

রাজনৈতিক বা ভিআইপি বন্দীদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমার কাছে রাজনৈতিক বা ভিআইপি বন্দী বলে কিছু নেই। এখানে বন্দী সবাই বিভিন্ন অভিযোগের আসামি; কেউ মারামারি, কেউ হত্যা বা গণহত্যার মামলায় যুক্ত। আমরা বন্দীদের আলাদা করি মামলার ধারা ও গুরুত্ব অনুসারে। বর্তমানে ১৬৩ জন ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দী আছেন, আর ২৮ জন আবেদন করেও ডিভিশন পাননি।”