ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অপহরণের পর ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 76

অপহরণের পর ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার হাত-পা বাঁধা ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে থেকে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন জিসানকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ। জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তার মরদেহ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর পুলিশ মহাসড়কের পাশ থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করে।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি বলেন, জিসান ছাত্রদলের সক্রিয় ও উদীয়মান নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় তারা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অপহরণের পর ছাত্রদল নেতার লাশ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৫:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছাত্রদল নেতা ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) অপহরণের কয়েক ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার হাত-পা বাঁধা ছিল এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে থেকে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন জিসানকে তুলে নিয়ে যায় বলে পরিবারের অভিযোগ। জিসান কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তার মরদেহ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর পুলিশ মহাসড়কের পাশ থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করে।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি বলেন, জিসান ছাত্রদলের সক্রিয় ও উদীয়মান নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় তারা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।