ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সঙ্গে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বড় চুক্তির পথে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 37

ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরকে ঘিরে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বড় ধরনের একটি চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবুও ইতিবাচক অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় সৌরবিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত ‘পাকিস্তানে সৌর বিপ্লব: জাতীয় বাজেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি, তবে সৌরবিদ্যুৎ খাত নিয়ে বড় ধরনের একটি চুক্তি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি বলেন, টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এ খাতকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চিফ হুইপ আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে জাতীয় সংসদে কোনো সদস্য আলোচনা করতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। এ খাতের বিকাশে বিএনপি সরকার সব ধরনের সহায়তা দিতে আগ্রহী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সংস্থা ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’-এর প্রধান কর্মসূচি ও উদ্যোগ বিশেষজ্ঞ ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ বাসিত গৌরী ‘পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুতের গণজোয়ার: এর পরে কী এবং কারা অনুসরণ করছে?’ শীর্ষক উপস্থাপনা করেন।

তিনি জানান, পাকিস্তানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, যা মূলত জাতীয় গ্রিডের বাইরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে। এ খাতে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে, যা দেশটির আইএমএফ ঋণের প্রায় দ্বিগুণ।

বাসিত গৌরীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই বিনিয়োগের বেশিরভাগই এসেছে মধ্যবিত্ত ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে। ব্যাংকনির্ভর না হয়ে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের ফলে দেশটিতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চীনের সঙ্গে সৌর বিদ্যুৎ খাতে বড় চুক্তির পথে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরকে ঘিরে সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বড় ধরনের একটি চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবুও ইতিবাচক অগ্রগতির আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের সময় সৌরবিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি চুক্তি সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর গুলশানে অনুষ্ঠিত ‘পাকিস্তানে সৌর বিপ্লব: জাতীয় বাজেটের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের জন্য শিক্ষণীয়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

নুরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে চীন সফরে রয়েছেন। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি, তবে সৌরবিদ্যুৎ খাত নিয়ে বড় ধরনের একটি চুক্তি হতে পারে বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি বলেন, টেকসই ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে এ খাতকে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

চিফ হুইপ আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে জাতীয় সংসদে কোনো সদস্য আলোচনা করতে চাইলে তিনি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। এ খাতের বিকাশে বিএনপি সরকার সব ধরনের সহায়তা দিতে আগ্রহী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সংস্থা ‘রিনিউয়েবলস ফার্স্ট’-এর প্রধান কর্মসূচি ও উদ্যোগ বিশেষজ্ঞ ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ বাসিত গৌরী ‘পাকিস্তানে সৌরবিদ্যুতের গণজোয়ার: এর পরে কী এবং কারা অনুসরণ করছে?’ শীর্ষক উপস্থাপনা করেন।

তিনি জানান, পাকিস্তানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, যা মূলত জাতীয় গ্রিডের বাইরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাস্তবায়িত হয়েছে। এ খাতে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে, যা দেশটির আইএমএফ ঋণের প্রায় দ্বিগুণ।

বাসিত গৌরীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই বিনিয়োগের বেশিরভাগই এসেছে মধ্যবিত্ত ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে। ব্যাংকনির্ভর না হয়ে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের ফলে দেশটিতে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।