ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিবেশ দূষণে কোনো ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • / 10

হালদা নদী

শিল্পকারখানার বর্জ্যে পরিবেশ ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো ধরনের সমঝোতা বা ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারিরও আশ্বাস দেন।

পরিবেশ দূষণ এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্ত লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, পরিবেশ নষ্ট করে বা নিয়ম অমান্য করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বুধবার ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নে শিল্পকারখানার বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকশ একর কৃষিজমি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিল্পকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য খাল, নদী ও কৃষিজমিতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। স্থানীয় কৃষকরা এ সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। ভবিষ্যতে যাতে কোনো কারখানার বর্জ্য কৃষিজমি বা জলাশয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, শিল্পবর্জ্য পরিশোধনের জন্য ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ব্যবহারের বিকল্প নেই। নতুন করে কোনো কারখানার দূষিত পানি যাতে আশপাশের জমিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠনের পরামর্শও দেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ‘এক্সপেরিয়েন্স’ নামের একটি কারখানার অবৈধ বর্জ্য নির্গমন লাইন সিলগালা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, এটি পুনরায় চালু করা হলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য কোনো অবস্থাতেই নদী, খাল, বিল বা জলাশয়ে ফেলা যাবে না। পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী, কৃষক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় পরিবেশ রক্ষা, কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পরিবেশ দূষণে কোনো ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৬:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শিল্পকারখানার বর্জ্যে পরিবেশ ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হলে কোনো ধরনের সমঝোতা বা ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারিরও আশ্বাস দেন।

পরিবেশ দূষণ এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের শর্ত লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, পরিবেশ নষ্ট করে বা নিয়ম অমান্য করে কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে আলোচনার মাধ্যমে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।

বুধবার ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়নে শিল্পকারখানার বর্জ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকশ একর কৃষিজমি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শিল্পকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য খাল, নদী ও কৃষিজমিতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। স্থানীয় কৃষকরা এ সমস্যা সমাধানে আন্দোলন করলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাননি। ভবিষ্যতে যাতে কোনো কারখানার বর্জ্য কৃষিজমি বা জলাশয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, শিল্পবর্জ্য পরিশোধনের জন্য ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ব্যবহারের বিকল্প নেই। নতুন করে কোনো কারখানার দূষিত পানি যাতে আশপাশের জমিতে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য স্থানীয় পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠনের পরামর্শও দেন তিনি।

পরিদর্শনের সময় পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ‘এক্সপেরিয়েন্স’ নামের একটি কারখানার অবৈধ বর্জ্য নির্গমন লাইন সিলগালা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, এটি পুনরায় চালু করা হলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, অপরিশোধিত রাসায়নিক বর্জ্য কোনো অবস্থাতেই নদী, খাল, বিল বা জলাশয়ে ফেলা যাবে না। পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী, কৃষক প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় পরিবেশ রক্ষা, কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।