ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নিহত বৃষ্টি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 96

বৃষ্টির দাফন

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মেধাবী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বাদ আসর মাদারীপুর সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকালে তার মরদেহ ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে শনিবার সকালে নিহত বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। মাদারীপুরের নিজ বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বিলাপ করতে করতে জানান, উচ্চশিক্ষা শেষ করে দেশের মানুষের সেবা করার স্বপ্ন ছিল তার মেয়ের। তবে এক অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা সেই স্বপ্নকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। তার অকাল মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। মূলত বিদেশের মাটিতে গবেষণার মাধ্যমে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন এই তরুণী। আজ পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে নিহত বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে তার পার্থিব যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব এই শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বৃষ্টির মতো একজন মেধাবীর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অবশেষে বলা যায়, নিহত বৃষ্টির দাফন হয়ে গেলেও তার মেধা ও স্বপ্নের স্মৃতি এলাকাবাসীর মনে আজীবন অমলিন থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নিহত বৃষ্টি

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার মেধাবী শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বাদ আসর মাদারীপুর সদর উপজেলার চর গোবিন্দপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকালে তার মরদেহ ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছালে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে শনিবার সকালে নিহত বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। মাদারীপুরের নিজ বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বিলাপ করতে করতে জানান, উচ্চশিক্ষা শেষ করে দেশের মানুষের সেবা করার স্বপ্ন ছিল তার মেয়ের। তবে এক অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতা সেই স্বপ্নকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। তার অকাল মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে। মূলত বিদেশের মাটিতে গবেষণার মাধ্যমে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন এই তরুণী। আজ পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে নিহত বৃষ্টির দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে তার পার্থিব যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব এই শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বৃষ্টির মতো একজন মেধাবীর মৃত্যু দেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। অবশেষে বলা যায়, নিহত বৃষ্টির দাফন হয়ে গেলেও তার মেধা ও স্বপ্নের স্মৃতি এলাকাবাসীর মনে আজীবন অমলিন থাকবে।