ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 239

বর্ষার আগেই খাল খনন কর্মসূচি জোরদার করতে দুই জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনীতে কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, প্রধানমন্ত্রী এসব সফরে খাল খনন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেবেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমের আগে পর্যন্ত চলবে।

মন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিভিন্ন জেলায় পর্যায়ক্রমে উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী।

তার মতে, মে মাস পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে। এরপর বর্ষা শেষে আবার বছরের শেষ দিকে কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হবে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই প্রায় শেষ। এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসতে পারে—যদিও চূড়ান্ত অবস্থান এখনও পরিষ্কার নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বর্ষার আগেই খাল খনন কর্মসূচি জোরদার করতে দুই জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনীতে কর্মসূচির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

সচিবালয়ে এক বৈঠক শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, প্রধানমন্ত্রী এসব সফরে খাল খনন কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেবেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমের আগে পর্যন্ত চলবে।

মন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনায় সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিভিন্ন জেলায় পর্যায়ক্রমে উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী।

তার মতে, মে মাস পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা থাকবে। এরপর বর্ষা শেষে আবার বছরের শেষ দিকে কর্মসূচি নতুন করে শুরু করা হবে।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভাব্যতা যাচাই প্রায় শেষ। এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত শিগগিরই আসতে পারে—যদিও চূড়ান্ত অবস্থান এখনও পরিষ্কার নয়।