ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৬ দিনে পাঁচ লাখ আফগানকে বিতাড়িত করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • / 752

১৬ দিনে পাঁচ লাখ আফগানকে বিতাড়িত করল ইরান

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মাত্র ১৬ দিনেই পাঁচ লাখেরও বেশি আফগানকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে ইরান। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানায়, ২৪ জুন থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে ৫ লাখ ৮ হাজার ৪২৬ জন আফগান নাগরিক ইরান-আফগানিস্তান সীমান্ত দিয়ে ফেরত গেছেন।

ইরান গত কয়েক মাস ধরেই বলে আসছিল—নথিপত্রবিহীন লাখ লাখ আফগানকে তাদের দেশে আর থাকতে দেওয়া হবে না। সেই ঘোষণার বাস্তবায়নেই শুরু হয়েছে গণ-প্রত্যাবাসন। শুধুমাত্র একদিনেই—যেমন ৩ জুলাই, ৫১ হাজারের বেশি আফগানকে সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।

তেহরান ছাড়ার আগে অনেক আফগান নাগরিক অভিযোগ করেছেন—তাদের পুলিশি নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ২০ বছর বয়সী বশির জানান, তাকে বন্দিশালায় আটকে রেখে প্রথমে ২০০ ডলার, পরে আরও ৫০ ডলার দিতে হয়েছে। সেই বন্দিশালায় ছিল না খাবার বা পানি, বরং ছিল মারধর আর অপমান।

বশিরের ভাষায়, “ওই জায়গায় অন্তত ২০০ জনকে রাখা হয়েছিল, সবাই অত্যাচারের শিকার।” অনেকে জানান, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাদের জোর করে সীমান্তে পাঠানো হয়েছে।

ইরানে বসবাসকারী আফগানদের মতে, স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত নেতিবাচক বার্তার কারণে তারা রাস্তা ও বাজারে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন। অনেকে তো ‘ইসরায়েলি গুপ্তচর’ বলেও চিহ্নিত হচ্ছেন—যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১৬ দিনে পাঁচ লাখ আফগানকে বিতাড়িত করল ইরান

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর মাত্র ১৬ দিনেই পাঁচ লাখেরও বেশি আফগানকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছে ইরান। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানায়, ২৪ জুন থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে ৫ লাখ ৮ হাজার ৪২৬ জন আফগান নাগরিক ইরান-আফগানিস্তান সীমান্ত দিয়ে ফেরত গেছেন।

ইরান গত কয়েক মাস ধরেই বলে আসছিল—নথিপত্রবিহীন লাখ লাখ আফগানকে তাদের দেশে আর থাকতে দেওয়া হবে না। সেই ঘোষণার বাস্তবায়নেই শুরু হয়েছে গণ-প্রত্যাবাসন। শুধুমাত্র একদিনেই—যেমন ৩ জুলাই, ৫১ হাজারের বেশি আফগানকে সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।

তেহরান ছাড়ার আগে অনেক আফগান নাগরিক অভিযোগ করেছেন—তাদের পুলিশি নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। ২০ বছর বয়সী বশির জানান, তাকে বন্দিশালায় আটকে রেখে প্রথমে ২০০ ডলার, পরে আরও ৫০ ডলার দিতে হয়েছে। সেই বন্দিশালায় ছিল না খাবার বা পানি, বরং ছিল মারধর আর অপমান।

বশিরের ভাষায়, “ওই জায়গায় অন্তত ২০০ জনকে রাখা হয়েছিল, সবাই অত্যাচারের শিকার।” অনেকে জানান, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাদের জোর করে সীমান্তে পাঠানো হয়েছে।

ইরানে বসবাসকারী আফগানদের মতে, স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত নেতিবাচক বার্তার কারণে তারা রাস্তা ও বাজারে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন। অনেকে তো ‘ইসরায়েলি গুপ্তচর’ বলেও চিহ্নিত হচ্ছেন—যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।