ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হেরে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 18

আইপিএলে ব্যস্ততার কারণে তারকাবিহীন দল নিয়ে এলেও মাঠে ভিন্ন চিত্র দেখাল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ২২১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

রান তাড়ায় নেমে শুরুটা একেবারেই স্বস্তির ছিল না বাংলাদেশের। দ্রুত ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন সাইফ হাসান ও লিটন দাস। তৃতীয় উইকেটে তাদের ৯৩ রানের জুটি ম্যাচে ফেরার আশা জাগালেও সেটি বড় হতে পারেনি। ৫৭ রান করে সাইফ ফেরেন, আর লিটন থামেন ৪৬ রানে।

মাঝের ওভারে তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস গুছিয়ে নিতে। কিন্তু সঙ্গী আফিফ হোসেন ধীরগতির ২৭ রানের ইনিংস খেলেন, মিরাজও ব্যর্থ হন। ১৯৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর ম্যাচ কার্যত হাতছাড়া হয়ে যায়। হৃদয়ের লড়াকু ৫৫ রান শেষ পর্যন্ত ব্যবধানই কমিয়েছে, ফল বদলাতে পারেনি।

এর আগে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসও শুরু হয়েছিল ধীরগতিতে। ওপেনার নিক কেলিকে দ্রুত ফিরিয়ে শুরুটা এনে দেন শরিফুল ইসলাম। এরপর হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং জুটি গড়ে দলকে স্থিতি দেন। এই জুটি ভাঙার পরও নিকোলস ৬৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।

অধিনায়ক টম লাথাম বড় কিছু করতে পারেননি। তবে শেষদিকে ডিন ফক্সক্রফটের ৫৯ রানের ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ এনে দেয়। নাথান স্মিথের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসও রান বাড়াতে সহায়তা করে।

সব মিলিয়ে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ দল নিয়েও পরিকল্পিত ক্রিকেট খেলেছে নিউজিল্যান্ড, আর সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার খেসারতই দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হেরে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আইপিএলে ব্যস্ততার কারণে তারকাবিহীন দল নিয়ে এলেও মাঠে ভিন্ন চিত্র দেখাল নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওয়ানডেতে ২৬ রানে হেরে সিরিজে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় নিউজিল্যান্ড। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ২২১ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সফরকারীরা।

রান তাড়ায় নেমে শুরুটা একেবারেই স্বস্তির ছিল না বাংলাদেশের। দ্রুত ফিরে যান তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন সাইফ হাসান ও লিটন দাস। তৃতীয় উইকেটে তাদের ৯৩ রানের জুটি ম্যাচে ফেরার আশা জাগালেও সেটি বড় হতে পারেনি। ৫৭ রান করে সাইফ ফেরেন, আর লিটন থামেন ৪৬ রানে।

মাঝের ওভারে তাওহীদ হৃদয় চেষ্টা করেছিলেন ইনিংস গুছিয়ে নিতে। কিন্তু সঙ্গী আফিফ হোসেন ধীরগতির ২৭ রানের ইনিংস খেলেন, মিরাজও ব্যর্থ হন। ১৯৪ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর ম্যাচ কার্যত হাতছাড়া হয়ে যায়। হৃদয়ের লড়াকু ৫৫ রান শেষ পর্যন্ত ব্যবধানই কমিয়েছে, ফল বদলাতে পারেনি।

এর আগে নিউজিল্যান্ডের ইনিংসও শুরু হয়েছিল ধীরগতিতে। ওপেনার নিক কেলিকে দ্রুত ফিরিয়ে শুরুটা এনে দেন শরিফুল ইসলাম। এরপর হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ং জুটি গড়ে দলকে স্থিতি দেন। এই জুটি ভাঙার পরও নিকোলস ৬৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।

অধিনায়ক টম লাথাম বড় কিছু করতে পারেননি। তবে শেষদিকে ডিন ফক্সক্রফটের ৫৯ রানের ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ এনে দেয়। নাথান স্মিথের ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংসও রান বাড়াতে সহায়তা করে।

সব মিলিয়ে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ দল নিয়েও পরিকল্পিত ক্রিকেট খেলেছে নিউজিল্যান্ড, আর সুযোগগুলো কাজে লাগাতে না পারার খেসারতই দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে।