ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোজায় ১০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে দুধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 153

পবিত্র রমজান মাসে উত্তপ্ত নিত্যপণ্যের বাজার। তখন এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার একটি খামার। মাত্র ১০ টাকা লিটার দরে দুধ বিক্রি করে স্থানীয় নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম’।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকে ১০ টাকায় দুধ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বিনামূল্যেও পেয়েছেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে এলাকায় গড়ে ওঠে জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। বর্তমানে খামারে দুগ্ধ ও মোটাতাজাকরণ মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ গরু রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি গরু নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। প্রতিদিন খামার থেকে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় দারিদ্র্য পরিবারের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিক জাফর ইকবাল বলেন, রমজানে ১২০ টাকা লিটার দুধ কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ১০ টাকায় দুধ পাওয়ায় আমরা সেহরিতে তা খেতে পারছি।

জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুসাইন মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রমজানে দুধের চাহিদা বাড়ে। বাজারে দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করেই নামমাত্র ১০ টাকায় দুধ দিচ্ছি। প্রথম দিন ৯০ জনকে দেওয়া হয়েছে। রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রোজায় ১০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে দুধ

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসে উত্তপ্ত নিত্যপণ্যের বাজার। তখন এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার একটি খামার। মাত্র ১০ টাকা লিটার দরে দুধ বিক্রি করে স্থানীয় নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ‘জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম’।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই খামারে নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকে ১০ টাকায় দুধ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ বিনামূল্যেও পেয়েছেন। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০ জনকে এক লিটার করে দুধ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে এলাকায় গড়ে ওঠে জেসি অ্যাগ্রো ফার্ম। বর্তমানে খামারে দুগ্ধ ও মোটাতাজাকরণ মিলিয়ে প্রায় আড়াইশ গরু রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি গরু নিয়মিত দুধ দিচ্ছে। প্রতিদিন খামার থেকে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, বাজারে বর্তমানে প্রতি লিটার দুধ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় দারিদ্র্য পরিবারের পক্ষে নিয়মিত দুধ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিক জাফর ইকবাল বলেন, রমজানে ১২০ টাকা লিটার দুধ কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ১০ টাকায় দুধ পাওয়ায় আমরা সেহরিতে তা খেতে পারছি।

জেসি অ্যাগ্রো ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুসাইন মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রমজানে দুধের চাহিদা বাড়ে। বাজারে দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা। নিম্নবিত্ত মানুষের কথা বিবেচনা করেই নামমাত্র ১০ টাকায় দুধ দিচ্ছি। প্রথম দিন ৯০ জনকে দেওয়া হয়েছে। রমজানের শেষ দিন পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।