ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রেমিট্যান্সের ভিত্তি জিয়াউর রহমানের হাতেই: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 79

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স যে আজ কেন্দ্রীয় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়েই—এমনটাই মনে করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শ্রম দিবসের এক আলোচনায় তিনি এই ধারাবাহিকতার কথা তুলে ধরেন, যেখানে পরবর্তী সরকারগুলোর ভূমিকাও যুক্ত হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় গৃহীত নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোই প্রবাসী শ্রমবাজার গঠনের ভিত তৈরি করে। বিশেষ করে ১৯৭৬ সালে জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ—এসব পদক্ষেপ পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শ্রম আইন ২০০৬ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার ও কল্যাণ কাঠামোকে আরও বিস্তৃত করেন। বর্তমান সরকারও সেই ধারার মধ্যেই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের শিল্প, কৃষি, পরিবহন থেকে শুরু করে গৃহস্থালি কাজ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের অবদান স্পষ্ট। তাদের শ্রমই অর্থনীতির গতিকে ত্বরান্বিত করে। প্রবাসী আয়ের সঙ্গে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমঘন উৎপাদন মিলেই বৈদেশিক মুদ্রার মূল ভরকেন্দ্র গড়ে তুলেছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে, যা কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি—যা দীর্ঘমেয়াদে শিল্পোন্নয়নকে স্থিতিশীল করতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রেমিট্যান্সের ভিত্তি জিয়াউর রহমানের হাতেই: রাষ্ট্রপতি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৯:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্স যে আজ কেন্দ্রীয় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়েই—এমনটাই মনে করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শ্রম দিবসের এক আলোচনায় তিনি এই ধারাবাহিকতার কথা তুলে ধরেন, যেখানে পরবর্তী সরকারগুলোর ভূমিকাও যুক্ত হয়েছে বলে ইঙ্গিত দেন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় গৃহীত নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোই প্রবাসী শ্রমবাজার গঠনের ভিত তৈরি করে। বিশেষ করে ১৯৭৬ সালে জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ—এসব পদক্ষেপ পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলেছে বলে ধারণা করা হয়।

তিনি উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শ্রম আইন ২০০৬ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার ও কল্যাণ কাঠামোকে আরও বিস্তৃত করেন। বর্তমান সরকারও সেই ধারার মধ্যেই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, কর্মপরিবেশ এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের শিল্প, কৃষি, পরিবহন থেকে শুরু করে গৃহস্থালি কাজ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের অবদান স্পষ্ট। তাদের শ্রমই অর্থনীতির গতিকে ত্বরান্বিত করে। প্রবাসী আয়ের সঙ্গে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমঘন উৎপাদন মিলেই বৈদেশিক মুদ্রার মূল ভরকেন্দ্র গড়ে তুলেছে।

তিনি আরও জানান, সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালুর উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে, যা কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি—যা দীর্ঘমেয়াদে শিল্পোন্নয়নকে স্থিতিশীল করতে পারে।