ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক মামলা যাচাই করে প্রত্যাহার চলছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 24

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মামলাগুলো পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। ওই কমিটির সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে আসে। পরে প্রতিটি মামলা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে স্বচ্ছ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে, যাতে প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির মামলা প্রত্যাহার করতে পারে না। কোনো মামলার আপিল বিচারাধীন থাকলে আগে সেটির নিষ্পত্তি হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আপিল নিষ্পত্তির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারেন। এরপর বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য পাঠানো হবে এবং আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

মন্ত্রী জানান, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। তবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মামলা প্রত্যাহারের সুযোগ নেই, বরং আইনি প্রক্রিয়ায় সাজার মওকুফ বা ক্ষমার আবেদন করা যেতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাজনৈতিক মামলা যাচাই করে প্রত্যাহার চলছে: আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত যেসব মামলা এখনো প্রত্যাহার হয়নি, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাগেরহাট-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. আব্দুল আলীমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মামলাগুলো পর্যালোচনার জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। ওই কমিটির সুপারিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটিতে আসে। পরে প্রতিটি মামলা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে যাচাই করে প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে স্বচ্ছ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে, যাতে প্রকৃত রাজনৈতিক মামলাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির মামলা প্রত্যাহার করতে পারে না। কোনো মামলার আপিল বিচারাধীন থাকলে আগে সেটির নিষ্পত্তি হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আপিল নিষ্পত্তির পর ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারেন। এরপর বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের জন্য পাঠানো হবে এবং আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সাজার মওকুফ বা ক্ষমার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

মন্ত্রী জানান, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীও রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ রয়েছে। তবে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মামলা প্রত্যাহারের সুযোগ নেই, বরং আইনি প্রক্রিয়ায় সাজার মওকুফ বা ক্ষমার আবেদন করা যেতে পারে।