ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ২

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • / 38

বিএসএফের গুলিতে নিহত কলেজছাত্র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফের গুলি) পৃথক ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন— গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোরছালিন এবং মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন। শুক্রবার গভীর রাতে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নিহতদের মরদেহ ভারতের আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে এবং বিজিবি মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিএসএফের গুলিবর্ষণে নতুন করে উত্তজনা দেখা দিয়েছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে মোরছালিনকে কয়েকজন চোরাকারবারী বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সীমান্তে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ আরও কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন এবং নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। বিএসএফ তাদের উভয়কে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীর হোসেনও মারা যান। মূলত সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর সময় এই বিএসএফের গুলি-র ঘটনা ঘটে।

নিহত মোরছালিন স্থানীয় ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে এবং নবীর হোসেন মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই একই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ বর্তমানে আগরতলার জিবি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, তারা মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

বিজিবি অধিনায়ক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহত দুজনই কোনোভাবে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে সীমান্তে সাধারণ নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সব সময় তৎপর রয়েছে। বর্তমানে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। অবশেষে বলা যায়, নিয়মিত বিএসএফের গুলি-র ঘটনা সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ২

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফের গুলি) পৃথক ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন— গোপীনাথপুর শাহআলম ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোরছালিন এবং মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন। শুক্রবার গভীর রাতে পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নিহতদের মরদেহ ভারতের আগরতলার জিবি হাসপাতালে রয়েছে এবং বিজিবি মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্তে বিএসএফের গুলিবর্ষণে নতুন করে উত্তজনা দেখা দিয়েছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে মোরছালিনকে কয়েকজন চোরাকারবারী বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সীমান্তে যায়। একই সময়ে নবীর হোসেনসহ আরও কয়েকজন সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এই সময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই মোরছালিন নিহত হন এবং নবীর হোসেন গুরুতর আহত হন। বিএসএফ তাদের উভয়কে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবীর হোসেনও মারা যান। মূলত সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর সময় এই বিএসএফের গুলি-র ঘটনা ঘটে।

নিহত মোরছালিন স্থানীয় ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের হেবজু মিয়ার ছেলে এবং নবীর হোসেন মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা। এই একই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি তরুণ আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। নিহত দুজনের মরদেহ বর্তমানে আগরতলার জিবি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল শরিফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, তারা মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন।

বিজিবি অধিনায়ক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহত দুজনই কোনোভাবে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে সীমান্তে সাধারণ নাগরিক ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সব সময় তৎপর রয়েছে। বর্তমানে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। অবশেষে বলা যায়, নিয়মিত বিএসএফের গুলি-র ঘটনা সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।