ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য উপদেষ্টা

বিএনপি-জামায়াত প্রশাসন ভাগাভাগি করে নিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 123

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তার মতে, গণমাধ্যম এখনো অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করছে, জাতীয় স্বার্থের জায়গায় দাঁড়াতে পারছে না।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাহফুজ আলম বলেন, “গণমাধ্যমকে সব ধরনের গোষ্ঠীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। তবে তা অনেকাংশে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর নির্ভর করছে।”

তিনি আরও বলেন, “সিভিল ও সামরিক আমলাতন্ত্রকে ফ্যাসিবাদমুক্ত না করলে মিডিয়াকেও ফ্যাসিবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করার দায়িত্ব নিতে হবে।”

বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে গণমাধ্যমে যে অনিয়ম দেখা গিয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার সেই পদক্ষেপ নেয়নি। তারা উল্লেখ করেন, অনেক গণমাধ্যম সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাল্টে ফেলে।

এছাড়া সংবাদ প্রকাশে এজেন্সিগুলোর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা। তাদের মতে, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে হলুদ সাংবাদিকতাও ধীরে ধীরে কমে আসবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তথ্য উপদেষ্টা

বিএনপি-জামায়াত প্রশাসন ভাগাভাগি করে নিয়েছে

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তার মতে, গণমাধ্যম এখনো অনেক ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করছে, জাতীয় স্বার্থের জায়গায় দাঁড়াতে পারছে না।

রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাহফুজ আলম বলেন, “গণমাধ্যমকে সব ধরনের গোষ্ঠীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। তবে তা অনেকাংশে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর নির্ভর করছে।”

তিনি আরও বলেন, “সিভিল ও সামরিক আমলাতন্ত্রকে ফ্যাসিবাদমুক্ত না করলে মিডিয়াকেও ফ্যাসিবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে না। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করার দায়িত্ব নিতে হবে।”

বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে গণমাধ্যমে যে অনিয়ম দেখা গিয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার সেই পদক্ষেপ নেয়নি। তারা উল্লেখ করেন, অনেক গণমাধ্যম সরকারের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের অবস্থানও পাল্টে ফেলে।

এছাড়া সংবাদ প্রকাশে এজেন্সিগুলোর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা। তাদের মতে, দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে হলুদ সাংবাদিকতাও ধীরে ধীরে কমে আসবে।