ঢাকা ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • / 115

জামায়াতের বিক্ষোভ

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে আজ বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বর্ধিত দাম প্রত্যাহার এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি। ঢাকা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আজ বিকেল ৫টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে কেন্দ্রীয় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বুধবার (৩ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন যে, সরকার সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এক ‘চরম ও নিষ্ঠুর খেলায়’ মেতে উঠেছে। তিনি বলেন, আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করা সাধারণ মানুষের ওপর এক বড় ধরনের জুলুম। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বিবৃতিতে বিইআরসি (BERC)-এর নতুন আদেশের তথ্য তুলে ধরে জানান:

  • পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম প্রতি ইউনিট ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।
  • খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।
  • একই সাথে বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জও প্রায় ২৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

এই দাম বাড়ার ফলে দেশের শিল্প ও কৃষি উৎপাদন খরচ ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাবে এবং কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি খাতে বড় ধরণের স্থবিরতা নেমে আসবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে। তিনি দাবি করেন, মূলত বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর এই মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০১:২১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব মহানগরে আজ বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বর্ধিত দাম প্রত্যাহার এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি। ঢাকা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আজ বিকেল ৫টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে কেন্দ্রীয় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বুধবার (৩ জুন) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন যে, সরকার সাধারণ মানুষের পকেট কাটার এক ‘চরম ও নিষ্ঠুর খেলায়’ মেতে উঠেছে। তিনি বলেন, আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি করা সাধারণ মানুষের ওপর এক বড় ধরনের জুলুম। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্রের দামের ঊর্ধ্বগতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের এই মূল্যবৃদ্ধি ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বিবৃতিতে বিইআরসি (BERC)-এর নতুন আদেশের তথ্য তুলে ধরে জানান:

  • পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় দাম প্রতি ইউনিট ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।
  • খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।
  • একই সাথে বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জও প্রায় ২৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

এই দাম বাড়ার ফলে দেশের শিল্প ও কৃষি উৎপাদন খরচ ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাবে এবং কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষি খাতে বড় ধরণের স্থবিরতা নেমে আসবে বলে বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে চাল, ডাল, তেলসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলবে। তিনি দাবি করেন, মূলত বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন দুর্নীতি, অপচয় এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্যাপাসিটি চার্জের নামে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটের খেসারত দিতেই বারবার জনগণের ওপর এই মূল্যবৃদ্ধির বোঝা চাপানো হচ্ছে। জনগণের প্রতি সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা থাকলে এমন অমানবিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতো না।