ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 109

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। এ সময় সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য সৌদি আরবে সেবার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বিশেষ করে মিনায় গোসলখানা ও শৌচাগারের সুবিধা বাড়ানোর অনুরোধ করেন। জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সৌদি আরবে ৩৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন উল্লেখ করে দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনশক্তি নেওয়ার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সৌদি বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বের প্রশংসা করে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে তাদের ভূমিকার জন্য শুভেচ্ছা জানান।

জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে জ্বালানি, সহায়তা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কোনো বিদেশি কূটনীতিকের এটিই প্রথম সাক্ষাৎ। ফলে এ বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। এ সময় সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য সৌদি আরবে সেবার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বিশেষ করে মিনায় গোসলখানা ও শৌচাগারের সুবিধা বাড়ানোর অনুরোধ করেন। জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সৌদি আরবে ৩৫ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন উল্লেখ করে দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান রাষ্ট্রপতি। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনশক্তি নেওয়ার জন্য সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সৌদি বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরও জোরদারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে সৌদি নেতৃত্বের প্রশংসা করে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে তাদের ভূমিকার জন্য শুভেচ্ছা জানান।

জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে জ্বালানি, সহায়তা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কোনো বিদেশি কূটনীতিকের এটিই প্রথম সাক্ষাৎ। ফলে এ বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।