ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ বললেন, ‘কার এত জ্বালা?’

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 15

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ বললেন, ‘কার এত জ্বালা?’

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না; এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা ও এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গ উঠলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কার এত জ্বালা?’

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি বাংলাদেশি। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বা দেশের প্রতি তার অবস্থান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে বলে তিনি মনে করেন না। দেশের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের সুবিধাবাদী অবস্থান নেননি বলেও মন্তব্য করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে এবং এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। তখন প্রতিমন্ত্রী জানতে চান, কোথায় এ ধরনের আলোচনা হয়েছে।

এক সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার কথা জানালে হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি ‘নেটিজেন’ নয়, নাগরিকের বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। দেশের জন্য কাজ করাই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না?’ এ সময় তিনি ২০০৮ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীনের সময়কার প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

পরে দেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দেশপ্রেমিক মানুষ, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে যারা অবস্থান নেন, সেই গণমাধ্যম, জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবিরের শপথ নেওয়ার পর থেকেই তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নটি আলোচনায় আসে। সিলেটে জন্ম নেওয়া হুমায়ুন কবির আড়াই বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে তার বেড়ে ওঠা ও উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ বললেন, ‘কার এত জ্বালা?’

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না; এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা ও এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গ উঠলে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘কার এত জ্বালা?’

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি বাংলাদেশি। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বা দেশের প্রতি তার অবস্থান নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলবে বলে তিনি মনে করেন না। দেশের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে তিনি কোনো ধরনের সুবিধাবাদী অবস্থান নেননি বলেও মন্তব্য করেন।

এ সময় সাংবাদিকরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে এবং এ নিয়ে বিভিন্ন সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। তখন প্রতিমন্ত্রী জানতে চান, কোথায় এ ধরনের আলোচনা হয়েছে।

এক সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হওয়ার কথা জানালে হুমায়ুন কবির বলেন, তিনি ‘নেটিজেন’ নয়, নাগরিকের বিষয় নিয়ে কাজ করছেন। দেশের জন্য কাজ করাই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না?’ এ সময় তিনি ২০০৮ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীনের সময়কার প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

পরে দেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দেশপ্রেমিক মানুষ, গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে যারা অবস্থান নেন, সেই গণমাধ্যম, জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবিরের শপথ নেওয়ার পর থেকেই তার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নটি আলোচনায় আসে। সিলেটে জন্ম নেওয়া হুমায়ুন কবির আড়াই বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে তার বেড়ে ওঠা ও উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।