ববিতে একসঙ্গে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন ২৩ শিক্ষক
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৭:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 38
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নানা জটিলতা পেরিয়ে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৪ জনের মধ্যে ২৩ শিক্ষক। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপাচার্যের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক পদে যোগদান করেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য মোট ২৪ শিক্ষকের বোর্ড সম্পন্ন হয়েছিল। পরবর্তী যাচাই-বাছাই ও সার্বিক প্রক্রিয়া শেষে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। গত ২৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে অধ্যাপক পদে পদোন্নতির বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তির কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে যায়। দীর্ঘ জটিলতার পর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৩ শিক্ষককে অধ্যাপক পদে উন্নীত করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত তিনজন সিন্ডিকেট সদস্য দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতির অভিযোগে ড. আবদুল কাইউমকে এবার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তারা জানান।
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক জানান, রোববার যোগদানের সময় ২৩ শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ড. আবদুল কাইউমকে দেখা যায়নি।
তবে ২৪ শিক্ষকের মধ্যে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। তাদের অভিযোগ, একজনকে বাদ দিয়ে বাকিদের পদোন্নতি দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের একটি দাবি ছিল, অভিযুক্ত শিক্ষকদের আগে তদন্ত ও বিচার করে পরে পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। তবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তারা।
অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক হলেন ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস, ড. মো. মাসুদ পারভেজ, ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল, ড. ধীমান কুমার রায়, ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ড. সুব্রত কুমার দাস, ড. হাফিজ আশরাফুল হক, ড. ইশরাত জাহান, ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা, ড. হেনা রানী বিশ্বাস, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. তাজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী, ড. মো. আলমগীর মোল্লা, ড. মো. সাদেকুর রহমান, ড. তারেক মাহমুদ আবীর, ড. মো. জামাল উদ্দীন ও ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ এ বিষয়ে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
































